যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘চুক্তি’ করতে খুবই আগ্রহী কিউবা এবং যা ‘খুব দ্রুত’ হতে পারে।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াচ্ছে।
ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিউবাও একটি চুক্তি করতে চায় এবং আমি মনে করি যে আমরা খুব শিগ্গির একটি চুক্তি করব অথবা যা করার তা করব।’
এ সময় তিনি আরো উল্লেখ করেন, ইরান ইস্যু সামলানোর পর কিউবার ওপর পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘তাই আমরা কিউবার সঙ্গে কথা বলছি। তবে আমরা কিউবার আগে ইরানের সঙ্গে কিছু করতে যাচ্ছি...তাই আমি মনে করি কিউবার সঙ্গে খুব দ্রুত কিছু ঘটবে।’
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল গত শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন যে তার সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘দ্বিপক্ষীয় মতপার্থক্য’ নিয়ে আলোচনা করেছে, যদিও আলোচনার প্রকৃতি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প দরিদ্র দ্বীপটিকে মার্কিন তেল অবরোধের আওতায় আনেন, আর এর ফলে কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কিউবাকে ‘অসাধারণ হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
এর আগে থেকেই ওয়াশিংটনের দশকব্যাপী অর্থনৈতিক অবরোধ চলছিল।
জানুয়ারিতে ক্যারিবীয় অঞ্চলে ওয়াশিংটনের আরেক শত্রু ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোকে উৎখাত করার পর থেকে, ট্রাম্পের নজরে রয়েছে কিউবান সরকার।
মাদুরোর ওপর কিউবা সস্তা তেলের জন্য নির্ভর করত।