ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরাইলের বোমা হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৮৬ জন। রোববার সানায় প্রেসিডেন্ট প্রসাদ, তেল স্থাপনা এবং একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইল। খবর আল জাজিরার।
ইয়েমেনি হুথিরা জানিয়েছে, গাজায় নৃশংসতা ও অবরোধ বন্ধে চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসরাইলে হামলা অব্যাহত রাখবে তারা। হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দুই দিন পর ইসরাইল রোববারের এই হামলা চালায়।
ইসরাইলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ইসরাইল এবং এর নাগরিকদের বিরুদ্ধে হুথিদের ক্রমাগত হামলার জবাব দেওয়া হয়েছে।’
বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ‘সানায় হুথিদের অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আসার এবং হিজাজ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জ্বালানি সংরক্ষণের স্থান এবং প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে অবস্থিত একটি সামরিক স্থান।’
ইসরাইলের সরকারি টেলিভিশন কেএএন জানিয়েছে, ১৪টি যুদ্ধবিমান হামলায় অংশ নেয়।
হুথি সমর্থিত টেলিভিশন আল মাসিরাহ ইসরাইলের এ হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। হুথি পরিচালিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে চ্যানেলটি জানিয়েছে, বেশিরভাগ ইসরাইলি বিমানকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং তাদের প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়েছে।
টেলিভিশনটি জানিয়েছে, দক্ষিণ ও পশ্চিম সানায় ইসরাইলি হামলার ফলে সৃষ্ট আগুন নেভানোর জন্য বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরা কাজ করছেন।
হামলার প্রতিক্রিয়ায় হুথি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে ইসরাইলের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
হুথি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-বুখাইতি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইয়েমেনের বিরুদ্ধে ইসরাইলি আগ্রাসন গাজার প্রতি আমাদের সমর্থন কমবে না। এতে যতই ত্যাগ স্বীকার করতে হোক না কেন।’
আরএ