যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল শনিবার ইরানে হামলা চালিয়েছে। হামলায় তারা ইরানের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যকে একটি নতুন সংঘাতের মধ্যে নিমজ্জিত করেছে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের নেতৃবৃন্দকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালানো হলেও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ শীর্ষ নেতারা নিরাপদে আছেন। সর্বোচ্চ নেতাকে তেহরান থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অবশ্য বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলায় ইরানের কিছু সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা হতাহত হয়ে থাকতে পারেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এর মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিরাপত্তা হুমকির অবসান হবে এবং ইরানিদের তাদের শাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করার একটা সুযোগ দেবে।
রয়টার্স বলছে, এই হামলার কারণে তেল উৎপাদনকারী প্রায় সবগুলো উপসাগরীয় আরব দেশ ঝুঁকিতে পড়েছে আর পুরো অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনার তীব্রতা বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, কারণ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলসহ বিভিন্ন আবার দেশে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।
ফার্স নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এবং নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিসহ ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা ‘পুরোপুরি সুস্থ’ আছেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরাইলি সূত্রগুলো ইরানের প্রেসিডেন্ট ও শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলা চালানো ও সফল হওয়ার দাবি করলেও ইরানের সরকারি সরকারি সূত্রগুলো বলছে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ প্রশাসনের উচ্চপদের কর্মকর্তারা ‘সম্পূর্ণ সুস্থ’ রয়েছেন।