হোম > বিশ্ব

তিউনিসিয়ায় আটক ফ্লোটিলা কর্মীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি

আল-জাজিরা

তিউনিসিয়ায় গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার চার কর্মী দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটক থাকায় তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। আটক চারজন হলেন ওয়ায়েল নাওয়ার, ঘাসান হেনচিরি, ঘাসান বোগদিরি ও নাবিল চান্নুফি।

গত মার্চ থেকে তারা বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন। ফ্লোটিলার জন্য অর্থ সংগ্রহ ও সেই অর্থ ব্যবহারে কথিত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তবে তারা ও তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এখন পর্যন্ত তাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো অপরাধে দোষ প্রমাণিত হয়নি।

আটকদের মধ্যে ওয়ায়েল নাওয়ার গত ১৬ আগস্ট থেকে কারাগারে অনশন শুরু করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ৩৮ দিন পর আইনজীবী ও সমর্থকদের অনুরোধে তিনি অনশন স্থগিত করেন। তার পরিবার জানিয়েছে, অনশনের সময় তার ওজন কমেছে, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা এবং পানি ধরে রাখতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে ঘাসান হেনচিরিও ৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনশনে রয়েছেন। তার বাবা জানিয়েছেন, দীর্ঘ অনশনের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছেন। ইসরাইলে আটক থাকার সময় তার মাথায় যে আঘাত লেগেছিল, সেটির প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও এখনো হয়নি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

আটকদের মুক্তির দাবিতে তিউনিসে বিক্ষোভও হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বরের একটি বিক্ষোভের পর আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১৭ বছর বয়সী একজনও রয়েছে, যাকে বিচারকের সামনে হাজির করা হয়েছে।

আটক চার কর্মীর বিচারপূর্ব কারাবাস আরো চার মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেছিল তাদের আইনজীবীরা। কিন্তু তিউনিসের আপিল আদালত সেই আবেদন বুধবার খারিজ করে দেয়। ফলে তদন্ত চলাকালে তাদের আরও চার মাস কারাগারে থাকতে হবে।

তিউনিসিয়ার কর্তৃপক্ষ বলছে, মামলাটি ফ্লোটিলার অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি আর্থিক তদন্ত; এটি তাদের রাজনৈতিক বা ফিলিস্তিনপন্থী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথাও বলেছে। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো তিউনিসিয়ায় নাগরিক সমাজের কর্মীদের বিরুদ্ধে আর্থিক ও মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত আইন ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

এদিকে আটক কর্মীদের পরিবারের ওপরও এর প্রভাব পড়ছে। ওয়ায়েল নাওয়ারের নয় বছর বয়সী ছেলে ইয়াসার বাবাকে কারাগারে দেখতে গিয়ে কান্না চেপে রাখার চেষ্টা করে। তার পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বাবাকে আটকের পর থেকে শিশুটির ঘুম ও পড়াশোনায়ও পরিবর্তন এসেছে।

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং ইসরাইলের অবরোধের প্রতিবাদে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা একটি আন্তর্জাতিক প্রচারণার অংশ। তিউনিসিয়ায় আটক কর্মীদের পরিবার ও সমর্থকরা তাদের দ্রুত মুক্তি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছেন।

বাণিজ্যযুদ্ধে নতুন সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র–চীন, উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনার পথ প্রশস্ত

বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের লক্ষ্য করে হামলা অগ্রহণযোগ্য: জয়শঙ্কর

দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭

জাতিসংঘ কি শুধু বক্তৃতার মঞ্চে পরিণত হচ্ছে

জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে রাশিয়ার সমর্থন

গোয়েন্দা যুদ্ধের চাপে হুথিরা

এআই নিরাপত্তায় জাতিসংঘের নতুন কাঠামোর প্রস্তাব সিঙ্গাপুরের

ভেনেজুয়েলায় ৩৯ রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি

পূর্ব লিবিয়ায় গোপন সামরিক বিচারে ৩০ জনের মৃত্যুদণ্ড

ইসরাইলে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবিতে যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভ