হোম > বিশ্ব

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান মধ্যস্থতাকারীদের

ইসরাইলের হামলা অব্যাহত

আতিকুর রহমান নগরী

ছবি: সংগৃহীত

গাজা যুদ্ধবিরতিতে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোকে তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্ক। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার পর মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ একথা জানিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ের পর্যালোচনা করতে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে দেখা করেন চারটি মধ্যস্থতাকারী দেশের কর্মকর্তারা।

গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরাইলি হামলার পটভূমিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার বাস্তুচ্যুতদের আবাসস্থলে পরিণত হওয়া একটি স্কুলে ইসরাইলি হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছে। যার ফলে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা প্রায় ৪০০ জনে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে উইটকফ বলেন, ‘আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি আমাদের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি। পাশাপাশি সকল পক্ষকে তাদের বাধ্যবাধকতা বজায় রাখার, সংযম প্রদর্শন করার এবং পর্যবেক্ষণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

শনিবারের বিবৃতিতে শান্তি চুক্তির প্রথম পর্যায়ে অর্জিত অগ্রগতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে মানবিক সহায়তা বাড়ানো, বন্দিদের লাশ ফেরত পাঠানো, আংশিক সেনা প্রত্যাহার এবং বৈরিতা কমানো। বৈঠকে চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরএ

আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল

মক্কা চুক্তি: প্রথম বৈঠকে বসছে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান

মার্কিন অপরাধে সহযোগিতা করায় জাপান সরকারকে জবাবদিহির আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেও পাকিস্তানে বেড়েছে বিদেশি পর্যটক

জাতিসংঘের কাঠামো পুনর্গঠনের আহ্বান, কার্যকর ও নিরপেক্ষ করার দাবি

আন্তর্জাতিক আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগের আহ্বান গিলানির

বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে চীন ও পাকিস্তান

ভারত-উজবেকিস্তান দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম চুক্তি সই

নরওয়েতে রাজা হারাল্ডকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রাসাদের সামনে মানুষের ঢল

অনিশ্চিত জীবনযাপনে মার্কিন সেনাদের পরিবার, মানসিক ও আর্থিক চাপ চরমে