হোম > বিশ্ব

কিয়েভে রাতভর রুশ বাহিনীর হামলা, নিহত ৩১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত একের পর এক এই হামলা চালানো হয়। এতে নিহত হয়েছেন ৩১ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৫০ জন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। খবর রয়টার্সের ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত ৩১ জনের মধ্যে ১৬ জনই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক; সবচেয়ে কমবয়সী নিহত শিশুটির বয়স ২ বছর। নিহতদের স্মরণে আজ শনিবার জাতীয় শোকদিবস পালন করছে ইউক্রেন।

নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, রুশ বাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাড়িঘর, আবাসিক ভবন, স্কুল, কিন্ডারগার্টেন, চিকিৎসাকেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ভবনসহ বিভিন্ন ধরনের ১০০টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজধানী কিয়েভের আবাসিক এলাকার একটি বড় ৯ তলা ভবনের বিশাল অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

“ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবনের ধ্বংস্তূপগুলোতে দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা অনুসন্ধান তৎপরতা চালাচ্ছেন। আমরা এখনও জানি না— কত জন মানুষ এসব ধ্বংসস্তূপের তলায় চাপা পড়েছেন”, টেলিগ্রামবার্তায় বলেছেন জেলেনস্কি।

উল্লেখ্য, নিহত-আহত, ধ্বংসের মাত্রার হিসেবে এটি ছিল কিয়েভে রুশ বাহিনীর দ্বিতীয় বৃহত্তম হামলা। গত বছর জুলাই মাসে একবার রাতভর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছিল রুশ বাহিনী। এতে ৩৩ জন নিহত হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। অভিযানের ৮ মাসের মাথায় ২০২২ সালের অক্টোবরে কিয়েভে হামলা করে রুশ সেনারা। সেটি ছিল ইউক্রেনের রাজধানীতে রাশিয়ার প্রথম হামলা।

শত্রুর চক্রান্ত ব্যর্থ করতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য, মমতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

মোদি আর এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না: রাহুল গান্ধী

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন বন্ধ, নতুন সংকটে কিউবা

বাজেট সংকটের মুখে পেন্টাগন

বিশ্বজুড়ে মুসলিম নারীদের মধ্যে ‘মডেস্ট’ ফ্যাশনের উত্থান

ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহত ১১

ইরানের জনগণকে বিভক্তের ষড়যন্ত্র করছে শত্রুরা: খামেনি

ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: মার্কো রুবিও

ইসরাইলি বাহিনী কর্তৃক আটক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, মুক্তি দাবি মার্কিন সিনেটরের