হোম > বিশ্ব

জলবায়ু বিচার ইস্যুতে জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ ভোট আগামী সপ্তাহে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফাইল ছবি

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ন্যায়ভিত্তিক ও আইনি পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘ কতটা প্রস্তুত, তার বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে আগামী সপ্তাহে। এ লক্ষ্যে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ভোটে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) জলবায়ু ন্যায়বিচারসংক্রান্ত ঐতিহাসিক মতামতকে সমর্থনের আহ্বান জানানো হয়েছে। নতুন রাজনৈতিক প্রস্তাবটি পাস হলে সদস্য রাষ্ট্রগুলো কার্যত স্বীকার করবে যে, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে তাদের আইনি দায়বদ্ধতা রয়েছে।

গত বছর নেদারল্যান্ডসের হেগে ধারাবাহিক শুনানির পর আইসিজে এ বিষয়ে পরামর্শমূলক মতামত প্রকাশ করে। ২০২৩ সালে নজিরবিহীনভাবে ১৩২টি দেশ কোনো বিরোধিতা ছাড়াই এ মতামত সমর্থন করে। বিশেষ করে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলো একে ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ আইসিজের মতামতকে স্বাগত জানিয়ে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। আগামী ২০ মে জাতিসংঘে ভোটের আগে দেশটি যত বেশি সম্ভব রাষ্ট্রের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে জাতিসংঘের এক ব্রিফিংয়ে ভানুয়াতুর জলবায়ুমন্ত্রী রালফ রেগেনভানু বলেন, জাতিসংঘের প্রাথমিক প্রস্তাবটি ছিল নির্দিষ্ট আইনের প্রতি সবার আস্থা প্রকাশ, যেখানে দেখানো হয়েছে, আইন জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, আদালতের সর্বসম্মত মতামত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য ‘একটি মূল্যবান উপহার’, যা আইনি স্পষ্টতা ও অভিন্ন ভিত্তি তৈরি করেছে।

রেগেনভানুর আশা, নতুন প্রস্তাবটি অন্তত আগের ১৩২টি সহ-সমর্থক দেশের সমান সমর্থন পাবে এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক ঐক্য আরো জোরদার হবে।

ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত প্রাথমিক খসড়ার পর থেকে প্রস্তাবটির ভাষায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, জীবাশ্ম জ্বালানির উৎপাদন ও ব্যবহার দ্রুত, ন্যায়সংগত এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বন্ধ করার আহ্বানের পরিবর্তে এখন শুধু তা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার তাগিদ রাখা হয়েছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতি, লোকসান বা ক্ষতির জন্য একটি আন্তর্জাতিক নিবন্ধনব্যবস্থা গঠনের প্রাথমিক পরিকল্পনাও পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। মূলত আমেরিকার চাপের কারণেই প্রস্তাবটিতে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

অস্ট্রেলীয় এমপিকে গাড়িচাপা দেওয়া ‘পরিকল্পিত’, বলছে পুলিশ

স্পেনে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা, ৪ জনের প্রাণহানি

ইউক্রেনকে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণে বাধ্য করছেন ট্রাম্প: জেলেনস্কি

ফ্রান্সের দাঙ্গা গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের বহিঃপ্রকাশ

ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫৩ সেনা নিহত

রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায় ১০ লাখ স্থলমাইন কিনতে চায় ফিনল্যান্ড

হুথিদের হামলার জেরে আন্তর্জাতিক সম্মেলন স্থগিত করল সৌদি আরব

সহিংস বিক্ষোভের পর ফ্রান্সের কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি

গোপনে ইসরাইলে গিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করলেন হেগসেথ

অবৈধ ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান অ্যামনেস্টির