হোম > বিশ্ব

দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ড্রোন অনুপ্রবেশের ব্যাখ্যা দাবি উত্তর কোরিয়ার

আমার দেশ অনলাইন

দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে উত্তর কোরিয়ার ভূখণ্ডে ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার দাবি, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গাংহোয়া কাউন্টি থেকে উড্ডয়ন করা একটি ড্রোন তাদের কায়েসং শহরে প্রবেশ করে। পিয়ংইয়াংয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, ড্রোনটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে এবং এর ধ্বংসাবশেষের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে দক্ষিণ কোরিয়া এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সিউলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া যে ড্রোনের কথা বলছে সেটি তাদের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত কোনো মডেল নয়।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিতে (কেসিএনএ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে এ ঘটনায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং উত্তর কোরিয়াকে উসকানি দেওয়ারও কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, উত্তর কোরিয়ার দক্ষিণ সীমান্ত অতিক্রমকারী ওই ড্রোনের প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে সিউলকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের নিজস্ব তদন্তে দেখা গেছে, উল্লিখিত সময় ও তারিখে তারা কোনো মানববিহীন আকাশযান পরিচালনা করেনি এবং অভিযোগে উত্থাপিত ধরনের কোনো ড্রোন তাদের কাছে নেই।

এ ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং একটি যৌথ সামরিক ও পুলিশ তদন্ত দলের মাধ্যমে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি কোনো বেসামরিক ব্যক্তি এই ড্রোন পরিচালনা করে থাকে, তাহলে তা হবে গুরুতর অপরাধ, যা কোরীয় উপদ্বীপের শান্তি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

তবে কিম ইয়ো জং বলেন, ড্রোনটি সামরিক না বেসামরিক—তা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার মতে, মূল বিষয় হলো দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ড্রোন উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে।

এই ড্রোন-সংক্রান্ত অভিযোগ এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন সাবেক দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে অবৈধ ড্রোন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে বিচার চলছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পিয়ংইয়াংকে উসকানি দিতে এবং সাময়িক সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টাকে বৈধতা দিতে তিনি এমন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিলে সামরিক আইন-সংক্রান্ত অভিযোগে ইউন সুক ইওলকে অভিশংসন করে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

এসআর/আসআই

যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরায় বাংলাদেশের ক্ষতি কতটা

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে ‘রহস্যময় অস্ত্র’ ব্যবহারের দাবি

আইআরজিসি ইস্যুতে ইইউর প্রতি যে আহ্বান ইসরাইলের

মুম্বাইকে ‘বাংলাদেশিমুক্ত’ করার ঘোষণা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর

ইরানে সংঘাতে প্রাণ গেল নিরাপত্তা বাহিনীর শতাধিক সদস্যের

খালিদ প্রসঙ্গে মামদানিকে নিজের চরকায় তেল দেওয়ার আহ্বান ভারতের

নেতানিয়াহুর শীর্ষ সহযোগী আটক, নেপথ্যে কী

মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি ইরানের

বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করল পাকিস্তান

ইরানে বিক্ষোভের নেপথ্যে কারা, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য