হোম > বিশ্ব

ইসরাইলি বর্বরতায় শিশু পঙ্গুত্বের শীর্ষে গাজা

আতিকুর রহমান নগরী

গাজায় ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনের পেরিয়ে গেছে ৭২০তম দিন। যত দিন গেছে, বেড়েছে হামলার তীব্রতা। এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৬৫ হাজার ৪১৯ জন। যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যাও দেড় লাখের বেশি। এর মধ্যে অনেক শিশুই হারিয়েছে শরীরের এক বা একাধিক অঙ্গ।

এ অবস্থায় বিশ্বজুড়ে এককভাবে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক অঙ্গহীন বা পঙ্গু শিশুর আবাসস্থল এখন হয়ে উঠেছে গাজা। বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। সংস্থাটির কমিশনার জেনারেল প্রধান ফিলিপ লাজারিনি তার সামাজিকমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এ পর্যন্ত গাজায় মোট ৪০ হাজারের মতো শিশুর অঙ্গচ্ছেদের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো লিখেছেন, গাজা যুদ্ধ এখানকার শিশু এবং তাদের শৈশবের ওপর যে ক্ষতি করেছে, তা কেবল শারীরিক আঘাত বা ক্ষুধার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তাদের ক্ষত অনেক গভীর ও অদৃশ্য। এর মধ্যে রয়েছে শিশুমনে যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব। যার মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ, দুঃস্বপ্ন, আগ্রাসন আর ভয়। অনেককে ভিক্ষা, লুটপাট বা শিশুশ্রমে বাধ্য করা হচ্ছে। এ এক হারানো শৈশব।

এই যুদ্ধ যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, শিশুরা তাদের চলমান ও গভীরতর ট্রমা নিয়ে বেড়ে উঠবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ক্ষতিকর হবে। তাই শিশুদের জন্য অন্তত দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া জাতিসংঘের তদন্তকারীরা সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল।

এদিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও গাজায় অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। দখলদার বাহিনীর হামলায় গাজায় গত একদিনে কমপক্ষে ৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

গাজায় বুধবার রাতভর তীব্র হামলা চালায় ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ৮৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যা মঙ্গলবারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। গাজার নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি স্টেডিয়ামে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে সাতজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। ইসরাইলি আক্রমণ থেকে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছিলেন আল-আহলি স্টেডিয়ামে। তারপরও রেহাই মেলেনি তাদের। সেখানেও হামলা চালায় আইডিএফ।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় গাজায় ত্রাণবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ ওপর ড্রোন হামলার পর এই নৌবহরকে রক্ষায় ভূমধ্যসাগরে নিজ নিজ দেশের নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠিয়েছে ইতালি ও স্পেন। বৃহস্পতিবার ইতালি জানিয়েছে, তারা দ্বিতীয় জাহাজ পাঠাচ্ছে, অন্যদিকে স্পেন জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনীও তৎপর থাকবে। এর আগের দিন সেখানে ফ্রিগেট বা মাঝারি আকারের রণতরী পাঠিয়েছে রোম।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইডো ক্রোসেটো পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে এক ভাষণে বলেন, ফ্লোটিলা রক্ষায় এরই মধ্যে একটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে, আরেকটি জাহাজ পাঠানোর পথে রয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত তারা।

এদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বুধবার বলেছেন, তার দেশের নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ক্ষেত্রে ইতালির সঙ্গে যুক্ত হবে।

দুবাই এয়ারপোর্টে আংশিক বিমান চলাচল শুরু

মার্কিন হামলাতেই তেহরানে স্কুল ছাত্রীরা নিহত হয়: সিএনএন

লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ১৬

হরমুজ প্রণালিতে মাল্টার পতাকাবাহী ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলা

প্রতিবেশী দেশে আর হামলা করবে না ইরান: প্রেসিডেন্ট

ফুরিয়ে যাচ্ছে অস্ত্রভান্ডার, উৎপাদন ৪ গুণ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধের এক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে ১৯০ শিশুর মৃত্যু: ইউনিসেফ

ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে অংশগ্রহণ স্থগিত করল ইন্দোনেশিয়া

আমিরাত ও কুয়েতে রাডার সিস্টেম-জ্বালানি সংরক্ষণাগার-রানওয়ে ধ্বংস

ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পুতিনের ফোনালাপ, যে কথা হলো