হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে একজন সশস্ত্র ব্যক্তি পাহারায় থাকা সিক্রেট সার্ভিসের একটি সিমকিউরিটি বুথ লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা পাল্টা গুলি করেন। পরে গুলিতে বন্দুকধারী নিহত হন।
হোয়াইট হাউসের বাইরে ১৭৬ নম্বর স্ট্রিট এবং পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউর মোজে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ১৫ থেকে ৩০ রাউন্ড গুলিবিনিমিয় হয়।
প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ফেডারেল সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি একটি ব্যাগে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং চেকপয়েন্টে পৌঁছে তা বের করেন।
এ সময় এজেন্টরা পালটা গুলি চালালে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
গুলিবিনিময়ের সময় একজন পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। তবে তিনি সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর গুলিতে নাকি পরবর্তী পালটাপালটি গুলির সময় আহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পরপরই হোয়াইট হাউসজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো সদস্য আহত হননি।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্পের নিরাপদ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্টের অবস্থা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান দলের নেতা স্টিভ স্ক্যালিস এক্সে দেওয়া পোস্টে প্রেসিডেন্টের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমরা বিপজ্জনক সময়ে বাস করছি।’
এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় এর আগে গুলির ঘটনা ঘটে। এক মাস পার না হতেই নতুন করে এ ঘটনা ঘটল।
সূত্র: সিএনএন
আরএ