যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার বলেছেন, ইরানে চলমান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এ যুদ্ধের পেছনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুর্নীতি ও খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত দায়ী বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
গত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে নির্বাচনী ফল ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে যাওয়ার জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করেন শুমার। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট তার সময়ের অর্ধেক ব্যয় করেছেন এমন সব বিষয় নিয়ে কথা বলে, যা ভোটারদের জীবনের সঙ্গে কোনোভাবেই প্রাসঙ্গিক ছিল না।
ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনি সাফল্য নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শুমার বলেন, রিপাবলিকানরা স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়, বিদ্যুৎ বিল, জ্বালানি ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে নজর দেননি।
তিনি বলেন, ‘দেশ বর্তমানে যে পথে এগোচ্ছে, তা নিয়ে মার্কিনিরা ক্ষুব্ধ। দেশের ভেতরে ও বাইরে ট্রাম্পের সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চান তারা।’
ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে শুমার বলেন, ট্রাম্পের দুর্নীতি ও অস্থির বিচারবুদ্ধির কারণেই এ যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছে। এতে দেশের ভেতরে ও বিদেশে মার্কিন নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি।
শুমার বলেন, ‘ইরানে তারা কীসের জন্য লড়াই করছে, তা মার্কিন জনগণ জানে না। এই যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।’
এ ছাড়া আইন কিংবা জনগণের মতামত উপেক্ষা করে ট্রাম্প প্রশাসন আরো কোনো পদক্ষেপ নিলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কঠোর বাধা তৈরির কথাও জানান সিনেটের এই নেতা।
শুমার বলেন, ‘ট্রাম্পের প্রতি নতজানু সিনেটের দিন শেষ হয়ে গেছে।’
সূত্র: আলজাজিরা