ভারতের দিল্লির চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় ভবন ধসে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়ে ১১ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখনো চলছে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপ পুরোপুরি সরানো সম্ভব হয়নি। এর নিচে আরো কেউ কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভবন মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ছয়তলা ওই বাড়ি ‘পেইং গেস্ট’ হোস্টেল হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। ভবনটিতে যারা থাকতেন তারা প্রায় সবাই শিক্ষার্থী। বাড়িটি অন্তত ৫০ বছরের পুরোনো বলে দাবি করছেন স্থানীয়েরা।
কয়েক মাস আগেও বাড়িটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। মালিক হরিরাম বনসাল ২০ বছর আগে গুরুগ্রামে চলে যান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি বাড়িটি সংস্কার করে ছাত্রছাত্রীদের ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। এই ভবনের কাছেই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। চলতি বছরের আগস্ট মাসে ভবনটিতে ভাড়াটিয়া আসতে শুরু করে, যাদের বেশির ভাগই ছিল শিক্ষার্থী। তবে নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণই থেকে যায় এবং ভবনটি ধসে পড়ার সময়ও শ্রমিকেরা বেসমেন্টে কাজ করছিলেন।
ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। রোববারের ঘটনার জন্য মালিকের লোভকেই দায়ী করছেন এলাকাবাসী।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
আরএ