হোম > বিশ্ব > আমেরিকা

অভিজাত মহলে ‘শিশু বলি’র অভিযোগ ফের আলোচনায়

এপস্টেইন নথি ঘিরে নতুন বিতর্ক

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত সর্বশেষ নথির পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০১৭ সালের এক সাক্ষাৎকার। ওই সাক্ষাৎকারে নেদারল্যান্ডসের সাবেক ব্যাংকার রোনাল্ড বার্নার্ড দাবি করেন, বৈশ্বিক আর্থিক অভিজাতদের একটি অংশের মধ্যে আচারভিত্তিক শিশু বলির মতো জঘন্য প্রথা চালু ছিল। খবর আনাদোলুর

২০১৭ সালে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক ডিভিএম টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নার্ড বলেন, আর্থিক জগতের উচ্চপর্যায়ের যাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল, তাদের অনেকেই তথাকথিত শয়তানের পূজারী বা ‘লুসিফেরিয়ান’ বিশ্বাসে অনুসরণ করতেন।

বার্নার্ডের ভাষায়, ‘অনেকে বলে ধর্ম কল্পকাহিনি, ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু এই লোকদের কাছে এগুলো বাস্তব। তারা এমন এক অদৃশ্য শক্তির সেবা করত, যাকে তারা লুসিফার বলত।’

বার্নার্ড আরো দাবি করেন, তিনি ‘চার্চ অব স্যাটান’ নামে পরিচিত কিছু স্থানে গিয়েছিলেন, যেখানে নগ্ন নারী ও মদ্যপানের মধ্য দিয়ে তথাকথিত ধর্মীয় আচার পালিত হতো। তবে তিনি বলেন, এসবের বাস্তবতা নিয়ে তিনি নিজেও নিশ্চিত ছিলেন না।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এক পর্যায়ে তাকে দেশের বাইরে গিয়ে এক ধরনের ‘বলি অনুষ্ঠানে’ অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তিনি বলেন, ’সেটা সব সীমা অতিক্রম করেছিল। কেননা সেখানে শিশুদের বলির কথা বলা হয়েছিল।’

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বার্নার্ড নিশ্চিত করেন, তাকে সরাসরি শিশু বলির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক সত্য হলো, তারা দাবি করে— এই ধরনের কাজ নাকি হাজার হাজার বছর ধরে বিশ্বজুড়ে চলে আসছে।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত সপ্তাহে প্রকাশিত এপস্টেইন–সংক্রান্ত নতুন নথিতে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ও যোগাযোগের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা এসব পুরোনো দাবিকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।

জেফ্রি এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যান। তার বিরুদ্ধে শিশু যৌন পাচারের অভিযোগে মামলা চলছিল। এর আগে ২০০৮ সালে ফ্লোরিডার এক আদালতে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তবে সে সময় দেওয়া সাজাকে সমালোচকেরা ‘অত্যন্ত শিথিল সমঝোতা’ বলে আখ্যা দেন।

এপস্টেইনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, তিনি ধনী ও রাজনৈতিক অভিজাতদের জন্য একটি বিস্তৃত যৌন পাচার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন। নতুন করে প্রকাশিত নথি ও পুরোনো সাক্ষাৎকার মিলিয়ে এখন আবারো প্রশ্ন উঠছে— ক্ষমতা ও অর্থের আড়ালে কী ধরনের ভয়ংকর অপরাধ আড়াল হয়ে ছিল।

ট্রাম্পকে কাতারের উপহার দেওয়া বিমান ঘিরে তীব্র বিতর্ক, সমালোচনার ঝড়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা বাস্তবায়নে গোপন আলোচনা চলছে: সুইজারল্যান্ড

কাতারের উপহার দেওয়া বিলাসবহুল বিমান উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরান হতাশার মধ্যে রয়েছে: ট্রাম্প

ট্রাম্পের মন্তব্যে বিস্মিত মেলোনি, দিলেন কড়া জবাব

স্বর্ণের দামে বড় পতন

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে গোলাগুলি, আতঙ্কে দিগ্বিদিক ছুটলেন পথচারীরা

সুইজারল্যান্ডে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় তেহরানের অর্থনৈতিক জয়

এরদোয়ানকে খুশি করতেই ন্যাটো সম্মেলনে যাচ্ছেন ট্রাম্প