হোম > বিশ্ব > আমেরিকা

সমালোচনা করায় কানাডাকে দেওয়া শান্তি বোর্ডের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করলেন ট্রাম্প

গাজী শাহনেওয়াজ ও সাইদুর রহমান রুমী

ফিলিস্তিনের গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের তদারকিতে গঠিত বোর্ড অব পিস-এ যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে দেওয়া আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সিদ্ধান্ত তিনি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্যের পর নেন।

মার্ক কার্নি দাভোসে বক্তৃতা দেওয়ার সময় শক্তিশালী দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছে এবং শুল্ককে চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার বানাচ্ছে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে লিখেছেন, “কানাডার কাছ থেকে শান্তি বোর্ডের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করা হলো।”

ট্রাম্প আরও বলেন, “কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণে বেঁচে আছে” এবং মার্ক কার্নির বক্তৃতা দেওয়ার সময় এ বিষয়টি মনে রাখার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। ট্রাম্পের নেতৃত্বে শান্তি পর্ষদে আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, মরক্কো, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ যোগ দিয়েছে, তবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালি আপাতত অংশ নিচ্ছে না।

শান্তি বোর্ড প্রাথমিকভাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গঠিত হলেও পরে এর পরিধি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের সংঘাত নিরসনে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। স্থায়ী সদস্য হতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশকে ১০০ কোটি ডলার প্রদানের শর্ত রয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই শান্তি বোর্ডের গঠনকে অনুমোদন দিয়েছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র রোলান্ডো গোমেজ জানিয়েছেন, বোর্ডের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ শুধুমাত্র গাজার প্রেক্ষাপটেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

এসআর

মধ্যপ্রাচ্যে শত শত মার্কিন বিশেষ বাহিনী অবস্থান করছে: সিবিএস

ইরান যুদ্ধে সামরিক লক্ষ্য অর্জনই প্রধান উদ্দেশ্য: রুবিও

ইরান যুদ্ধ ‘আমাদের নয়’, সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য

পাঁচ দশক পর চাঁদের পথে চার নভোচারী

ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে যা বলছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা

সৃষ্টিকর্তা যুদ্ধবাজদের প্রার্থনায় সাড়া দেন না

ফ্লোরিডায় খোদ ট্রাম্পের হোমটাউনে ডেমোক্র্যাটদের জয়

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী টার্গেট কোন দেশ, জানালেন ট্রাম্প

জয়ের দাবি থেকে সরে এসে ট্রাম্প বললেন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি

পরমাণু স্থাপনায় হামলার জন্য ইসরাইলকে ‘কঠিন মূল্য’ দিতে হবে