হোম > বিশ্ব > এশিয়া

নেপালে ভূমিধসে তৈরি হয়েছে নতুন হ্রদ, ফের বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

সিএনএন

নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভূমিধসে তৈরি হয়েছে একটি নতুন হ্রদ। এতে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে। আগামী তিন দিনে আরও ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি সেখানে প্রবেশ করতে পারে। ফলে বাঁধ ভেঙে আকস্মিক বন্যা ও কাদার ঢল নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির ড্রোনে ধারণ করা সর্বশেষ ভিডিওতে দেখা গেছে, আগের ভূমিধসের তৈরি বিশাল গর্তে পানি জমে নতুন হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। হ্রদটি নেপালের ভূখণ্ডে গিরং বন্দরসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, হ্রদটি দ্রুত বড় হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।

চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে ঢুকতে পারে। এতে ভূমিধসে তৈরি প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাঁধ ভেঙে গেলে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর দ্রুত নিচের দিকে নেমে নতুন করে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি করতে পারে।

গিরং কাউন্টিতে এখনো ভূমিধস, কাদার স্রোত ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। আগামী তিন দিন সেখানে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতাও বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছে।

চীনা সামরিক বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডের কর্মকর্তা চেন শি সিসিটিভিকে বলেন, পাহাড়ের ঢাল যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। কারণ সড়কগুলো খাড়া পাহাড়ের কিনারা দিয়ে তৈরি। একই সঙ্গে নতুন করে কাদার ঢল নামার ঝুঁকিও রয়েছে।

তিনি বলেন, পরিস্থিতির কারণে সামরিক বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট কমান্ড সেন্টারে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। প্রয়োজন হলে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে তাদের মোতায়েন করা হবে।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় এরই মধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হিমবাহের বরফ ও ভূমিধস থেকে সৃষ্ট বিপুল পানির স্রোত নদী উপত্যকা দিয়ে নেমে এসে সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

এখন নতুন হ্রদটি পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত বৃষ্টিতে হ্রদের পানির চাপ বাড়লে ভূমিধসে তৈরি প্রাকৃতিক বাঁধ আকস্মিকভাবে ভেঙে যেতে পারে। তখন আগের বন্যার চেয়েও ভয়াবহ পানির ঢল নেমে আসতে পারে।

উদ্ধারকারী দলগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ড, অব্যাহত বৃষ্টির আশঙ্কা এবং নতুন ভূমিধসের ঝুঁকি। ফলে একদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে নতুন দুর্যোগ ঠেকাতে হ্রদের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে কর্তৃপক্ষ।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের চাপে শ্রীলঙ্কার জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে নিহত ৪

গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা

আফগানিস্তানে বিবিসির এফএম রেডিও সম্প্রচার বন্ধ

যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল উত্তর কোরিয়া

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ার কারণে সিঙ্গাপুরে ফ্লাইট বাতিল করল মালয়েশিয়া

ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছাতে নতুন উদ্যোগ ইন্দোনেশিয়ায়

দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

মিয়ানমারে রাস্তা থেকে তরুণদের ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে ভর্তি

নেপালে পাঁচ জেলায় সতর্কতা জারি, গ্রামবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ