হোম > বিশ্ব > এশিয়া

আমার জন্য অপেক্ষা করার মতো আর কেউ অবশিষ্ট নেই, বললেন স্বজনহারা দিবগা

রয়টার্স

নেপালে বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি রসুয়া থেকে উদ্ধার হওয়া শেষ মানুষদের একজন দিবগা তামাং, যাকে এয়ারলিফট করে নুয়াকোটের একটি সেনা ক্যাম্পে আনা হয়েছে। স্বজনহারা দিবগা আকুল কণ্ঠে তার আকুতি প্রকাশ করে বলেন, আমাদের সব মানুষ চলে গেছে। তারা মারা গেছে। আমার জন্য অপেক্ষা করার মতো আর কেউ অবশিষ্ট নেই। সবকিছু এবং সবাই শেষ হয়ে গেছে। এখানেই সব কিছুর সমাপ্তি।

নেপালে উদ্ধার কাজে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া হাজার হাজার মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ পৌঁছানোর পাশাপাশি আটকে পড়া দুর্গতদের উদ্ধার করে সেনা ক্যাম্পে আনা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া মানুষদের আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠেছে বাতাস।

নেপালে এখন পর্যন্ত ৪৭৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নেপাল ও প্রতিবেশী তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় এক হাজার মানুষ। গত বুধবার সকালে হিমালয় পর্বতমালার নদী অববাহিকায় একটি বিশালাকার হিমবাহ ভেঙে পড়ে। এর ফলে পাথর, বরফ, কাদা ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ একযোগে বিশাল স্রোত হয়ে নেমে আসে নদীগুলোতে। এই ভয়াবহ বান কাঠমান্ডু ও তিব্বতের লহাসার সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর পাশাপাশি একাধিক পাওয়ার স্টেশন, সড়ক ও সেতু ধ্বংস করে দিয়েছে। এই পথটি পর্বতারোহী, ট্রেকার ও তীর্থযাত্রীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

তিব্বতে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করল চীন

কর্মস্থল ছাড়ছেন না উপসহকারী প্রকৌশলী

মানিকগঞ্জ : এক পাতিলে রান্না হয় ১০১ মণ খিচুড়ি

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম

ব্যারিয়ার লেকে ৫০ লাখ ঘনমিটার পানি, যেকোনো সময় ভাঙনের ঝুঁকি

বিশ্ববাজারে আবারও কমল জ্বালানি তেলের দাম

দিনুসার ব্যাটিং বীরত্বে টেস্ট ড্র, সিরিজ জিতল ভারত

উচ্চশিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন প্রতিবন্ধী পাঁচ ভাই-বোনের

মধুমতি নদীর আগ্রাসনে আতঙ্কে নদীপাড়ের বাসিন্দারা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বড় দুর্যোগের ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া