হোম > বিশ্ব > এশিয়া

চীনের নৌযান জব্দ করল জাপান

আমার দেশ অনলাইন

তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের সঙ্গে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই পূর্ব চীন সাগরে চীনের একটি মাছধরা নৌযান জব্দ করেছে জাপানের কোস্টগার্ড। ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার কিউশু দ্বীপের নাগাসাকি জেলার কাছে সাগরের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নৌযানটিকে জব্দ করা হয়েছে।

এ সময় ক্যাপ্টেনসহ মোট ১১ জন মৎসজীবী-নাবিক ছিলেন নৌযানটিতে। তাদের সবাইকে আটক করেছে জাপানের কোস্টগার্ড বাহিনী।

এক বিবৃতিতে কোস্টগার্ড বাহিনী বলেছে, ‘জাপানের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে একটি মাছধরা চীনা নৌযান শনাক্ত করার পর সেটিকে থামার জন্য সংকেত দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু নৌযানটি তা না মেনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় সেটিকে ধাওয়া করে আটক করা হয়েছে। নৌযানটিতে ক্যাপ্টেনসহ ১১ জন মৎসজীবী-নাবিক ছিলেন। তারা সবাই বর্তমানে হেফাজতে আছেন।’

দীর্ঘ চার বছর পর চীনের কোনো নৌযান জব্দ করল জাপান। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালে চীনের নৌযান জব্দ করেছিল জাপানের কোস্টগার্ড বাহিনী।

এমন এক সময় চীনের নৌযান জব্দ করল জাপানের কোস্টগার্ড বাহিনী, যখন স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপভূখণ্ড তাইওয়ান নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে উদ্বেগ চলছে টোকিওর।

স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপভূখণ্ড তাইওয়ানকে বরাবরই নিজেদের ভূখণ্ডের ‘অবিচ্ছেদ্য অংশ’ বলে দাবি করে আসছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ সেই দাবির প্রতি সমর্থনও জানিয়েছে।

তাইওয়ান চীনের দখলে আসে ১৯৪৫ সালে। তার আগে কয়েক দশক পর্যন্ত জাপানের দখলে ছিল এই ভূখণ্ড।

১৯৪৫ সালের পর থেকে এতদিন পর্যন্ত তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানের সঙ্গে টোকিওর কোনো ঝামেলা হয়নি, তবে দেশটির নতুন প্রধামন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাম্প্রতিককালের একটি মন্তব্য এ ইস্যুকে ফের উসকে দিয়েছে।

কিমের পর উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্ব দেবেন তার কন্যা

চীনের প্রভাব কমাতে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে সামরিক সরঞ্জাম দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

নেপালে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে নিহত ১২

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে যে ফল অনেকে কল্পনাও করেননি

জাপানে টানা ভারি তুষারপাতে নিহত বেড়ে ৪৬, আহত পাঁচ শতাধিক

এবারের নির্বাচনে ইতিহাসের সেরা ফলের পথে জামায়াত: রয়টার্স

কলম্বিয়ায় ভারি বৃষ্টিতে নিহত ১৩, ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

জাপানে নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেল তাকাইচির দল

জাপানে আগাম নির্বাচনে তাকাইচির দলের জয় প্রায় নিশ্চিত

মার্কিন বাহিনী মোতায়েনে ভীত নয় ইরান, পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে