হোম > বিশ্ব > এশিয়া

বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ থেকে মরুভূমিতে পরিণত আরাল সাগর

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

একসময় মধ্য এশিয়ার কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত আরাল সাগর ছিল বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ। বিশাল এই জলাধার স্থানীয় জনগোষ্ঠী, মৎস্যসম্পদ এবং একটি অনন্য বাস্তুতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখত। খবর আনাদোলুর।

কিন্তু বর্তমানে আরাল সাগর তার আগের আয়তনের এক-দশমাংশেরও কমে নেমে এসেছে। একসময়কার ব্যস্ত বন্দরগুলো এখন পরিত্যক্ত, জাহাজগুলো মরিচা পড়ে পড়ে আছে, আর উন্মুক্ত সমুদ্রতল রূপ নিয়েছে লবণাক্ত ও বিষাক্ত মরুভূমিতে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এই পরিস্থিতিকে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেছে।

একসময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে ব্যবহৃত মোট মাছের প্রায় এক-ষষ্ঠাংশ সরবরাহ করত এই সাগর। কিন্তু ধীরে ধীরে এটি বিচ্ছিন্ন জলাধারে পরিণত হয়। উন্মুক্ত তলদেশ এখন ‘আরালকুম মরুভূমি’ নামে পরিচিত, যা বিশ্বের নবীনতম মরুভূমিগুলোর একটি।

এই সংকটের সূত্রপাত ঘটে ১৯৬০-এর দশকে, যখন সোভিয়েত পরিকল্পনায় আমু দরিয়া ও সির দরিয়া নদীর পানি তুলার চাষে ব্যবহারের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে সাগরে পানির প্রবাহ কমে যায় এবং প্রাকৃতিক বাষ্পীভবন পূরণ না হওয়ায় পানি দ্রুত কমতে থাকে।

এই দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশগত সংকটের প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় মধ্য এশিয়ার নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তারা যৌথ জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যতে আরও ক্ষতি রোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের চাপে শ্রীলঙ্কার জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে নিহত ৪

গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা

আফগানিস্তানে বিবিসির এফএম রেডিও সম্প্রচার বন্ধ

যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল উত্তর কোরিয়া

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ার কারণে সিঙ্গাপুরে ফ্লাইট বাতিল করল মালয়েশিয়া

ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছাতে নতুন উদ্যোগ ইন্দোনেশিয়ায়

দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

মিয়ানমারে রাস্তা থেকে তরুণদের ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে ভর্তি

নেপালে পাঁচ জেলায় সতর্কতা জারি, গ্রামবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ