চীনের বেইজিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর বৈঠকে ইরানের যুদ্ধই প্রাধান্য পাবে।
ইরানের ওপর নিজেদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করতে চীনের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ তৈরি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে।
দুই দেশের মধ্যে কয়েক দশক পুরোনো একটি জোট রয়েছে। অন্যদিকে বেইজিংই তেহরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।
এই মাসের শুরুতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই বলেছেন, উত্তেজনা কমাতে বেইজিং সহায়তা করতে প্রস্তুত।
এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে চীন এই যুদ্ধের অবসান চায়। ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের আগেই চীনের অর্থনীতি ধীর প্রবৃদ্ধি ও বাড়তি বেকারত্বের সঙ্গে লড়াই করছিল।
অর্থনীতি স্থিতিশীল দেখালেও মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি কারখানা পরিচালনার খরচ ও অর্ডারের ওপর প্রভাব ফেলছে।
চীন পাকিস্তানের শান্তি পরিকল্পনাকে সমর্থন জানিয়েছে, যা সংঘাত নিরসনে তাদের পরিমিত মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ। একই সঙ্গে তারা এই সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়া এড়ানোরও চেষ্টা করছে।
সূত্র: বিবিসি