হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

ইউরোপে বিমান চলাচলের প্রাণকেন্দ্র ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর

আমার দেশ অনলাইন

ইউরোপের বিমান চলাচল খাতে অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর। উদ্বোধনের আট বছরেরও কম সময়ের মধ্যে যাত্রী পরিবহন, কার্গো হ্যান্ডলিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিমানবন্দরটি এখন ইউরোপের প্রতিষ্ঠিত বড় বিমানবন্দরগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।

চলতি বছরের জুলাইয়ে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর দিয়ে ৮১ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেছেন। একই সময়ে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরের যাত্রীসংখ্যা ছিল প্রায় ৭৯ লাখ। ফলে এক মাসের হিসাবে ইউরোপের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে হিথ্রোকে ছাড়িয়ে গেছে ইস্তাম্বুল।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া বিমানবন্দরটি শুরু থেকেই ব্যাপক সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে নির্মাণ করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ইউরোপ ও বিশ্বের অন্যতম প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

বিমানবন্দরটির দ্রুত উত্থানের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্কের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, জাতীয় বিমান সংস্থা তার্কিশ এয়ারলাইন্স-এর বিস্তৃত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বড় পরিসরে বিমানবন্দরটির অবকাঠামো নির্মাণ।

ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থান হওয়ায় ইস্তাম্বুলকে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছেন বিপুলসংখ্যক যাত্রী। তুরস্কের কর্মকর্তাদের হিসাবে, ইস্তাম্বুল থেকে চার ঘণ্টার উড়ান দূরত্বের মধ্যে ৬৭টি দেশের প্রায় ১৫০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও বিমানবন্দরটি নতুন সক্ষমতা দেখিয়েছে। ইউরোপে প্রথমবারের মতো এখানে এমন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একই সময়ে তিনটি বিমান রানওয়ে ব্যবহার করে উড্ডয়ন বা অবতরণ করতে পারে। এতে বিমান চলাচলের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি অপেক্ষার সময়ও কমেছে।

কার্গো পরিবহনেও ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর দ্রুত এগিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিমানবন্দরটির কার্গো পরিবহন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ টনের বেশি হয়েছে। এতে ইউরোপের ব্যস্ততম কার্গো বিমানবন্দর হিসেবে ফ্রাঙ্কফুর্টকে পেছনে ফেলেছে ইস্তাম্বুল।

এ ছাড়া শহরের সঙ্গে সরাসরি মেট্রো সংযোগ চালু হওয়ায় যাত্রীদের যাতায়াতও সহজ হয়েছে। ভবিষ্যতে চতুর্থ রানওয়ে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে বিমানবন্দরটির সক্ষমতা বছরে ২০ কোটি যাত্রী পর্যন্ত বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত সম্প্রসারণ, আধুনিক অবকাঠামো এবং তুরস্কের ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ইউরোপের বিমান চলাচলের নতুন শক্তিকেন্দ্র হয়ে উঠছে।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশের প্রতি ভারতের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি কমলেও বেড়েছে পাকিস্তানি ও লঙ্কানদের

নয়া রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি, তরুণদের মন জয়ে ব্যর্থ বিজেপি

গাজায় প্রতিরাতে ৩০-৪০ জন হত্যার ডাক বেন-গভিরের, পদত্যাগ চাইলেন মার্কিন সিনেটর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় ৬০ দিনের সময়সীমার বিধান নেই: ইরান

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই বাসের সংঘর্ষে স্লিপার কোচে আগুন

মুজিবের ভাস্কর্য জড়িয়ে কান্না করা সুমার সঙ্গে বিএনপি নেতাদের ছবি, কে এই রহস্যময়ী?

ইরাকি চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে মামুনুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গাঁজা খেয়ে বিমান চালালেন এয়ার ইন্ডিয়ার দুই পাইলট

কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা