হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

গাজা ইস্যুতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ইউরোভিশন বর্জন স্পেনের

আমার দেশ অনলাইন

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজের যুক্তি বলেছেন, গাজায় গণহত্যা এবং লেবাননের ওপর ‘অবৈধ যুদ্ধের’ মুখে স্পেন নীরব থাকতে পারে না। এ কারণেই দেশটি এ বছরের ইউরোভিশন সং কনটেস্ট-২০২৬ অংশ নিচ্ছে না বলে জানান তিনি। খবর ডেইলি সাবাহের।

শুক্রবার এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় সানচেজ বলেন, ইউরোভিশন থেকে স্পেনের অনুপস্থিতি মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তিনি বলেন, “এ বছরটা ভিন্ন হবে।”

স্পেনের সরকারি সম্প্রচারকারী সংস্থা আরটিভিইর প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে “সঙ্গতিপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়” উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

সানচেজ বলেন, “মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার সংস্কৃতির মাধ্যমেও প্রকাশ পায়। এ কারণেই স্পেন ইউরোভিশন সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে না।”

ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়াকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একই নীতি ইসরাইলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। তার ভাষায়, “কোনো দ্বৈত নীতি থাকতে পারে না।”

সানচেজ আরও বলেন, ইউরোভিশন ঐতিহাসিকভাবে শান্তি, ঐক্য এবং ইউরোপের বৈচিত্র্য উদযাপনের প্রতীক হলেও “অবৈধ যুদ্ধ এবং গণহত্যার মুখে নীরবতা কোনো বিকল্প নয়।”

তিনি জানান, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং স্লোভেনিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউরোভিশন সং কনটেস্ট এর এবারের আসর ১২ মে শুরু হয়েছে। প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে শনিবার।

কিয়েভে হামলার পর রাশিয়ায় পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি জেলেনস্কির

সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর পক্ষে নন জার্মান চ্যান্সেলর

এবার পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইউক্রেনীয় ড্রোন ইস্যুতে পদত্যাগ করলেন লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী

প্রমোদতরীর ১৭০০ যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ, তারপর যা ঘটল

‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী’ সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন পরীক্ষা চালাল রাশিয়া

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সের নিরাপত্তা মিশনে যোগ দেবে অস্ট্রেলিয়া

যুক্তরাজ্য সরকার থেকে আবাসন ও কমিউনিটি–বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ

ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় ইইউর সম্মতি

যুদ্ধবিরতি শেষ হতেই কিয়েভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা: ইউক্রেন