মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তেল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে শেয়ার ও বন্ডবাজারে বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৩ ডলারে উঠেছে। এতে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বাজারে অস্থিরতার অন্যতম কারণ দ্য আটলান্টিকের একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে হোয়াইট হাউস। এতে ইরানের সঙ্গে সংঘাত আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা ও জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বুধবার কাতারের উত্তর উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে হামলায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে মেক্সিকো উপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ইসাইয়াসের প্রভাবে তেল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝড়ের কারণে শেল ও শেভরন উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করার কথা জানিয়েছে।
তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব শেয়ারবাজারেও। জাপানের নিক্কেই ১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। ইউরোপের স্টক্স ইউরোপ ৬০০ সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সুদের হার বাড়াতে হতে পারে—এমন আশঙ্কাও জোরালো হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
এমএমআর