হোম > বিশ্ব > ভারত

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বেআইনি সিদ্ধান্ত বাতিল করবে সুপ্রিম কোর্ট

আমার দেশ অনলাইন

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে করা মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এসব মামলার শুনানি হয়।

শুনানিতে আদালত বলেছে, নির্বাচন কমিশন আইন মেনে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে থাকলে তা বাতিল করে দেওয়া হবে। তবে কমিশন আইন অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আপাতত ধরে নিচ্ছে আদালত।

জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জ্ঞানেশ কুমারকে সাময়িক বরখাস্তের আবেদনও করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন অথবা বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত।

সম্প্রতি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি উপেক্ষা করে এসআইআর-সংক্রান্ত কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভও হয়েছে।

তবে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, কোনো সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত সরাসরি কোনো নির্দেশ দিতে পারে না।

আদালত বলেছে, সংবাদপত্রের কোনো প্রতিবেদন পুরোপুরি সঠিক হতে পারে, আবার আংশিক সঠিক কিংবা ভুলও হতে পারে। তাই শুধু ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে নির্বাচন কমিশনের কাছে এ বিষয়ে জবাব চাওয়া হবে। কমিশনের জবাব পর্যালোচনার পর যদি দেখা যায় কোনো ক্ষেত্রে আইন মানা হয়নি, তাহলে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত বাতিল করা হতে পারে।

জ্ঞানেশ কুমারকে সাময়িক বরখাস্তের আবেদন নিয়েও এদিন কোনো অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি আদালত। কমিশনকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বেঞ্চ বলেছে, পরে যদি দেখা যায় কোনো সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয়নি, তাহলে প্রয়োজন হলে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে। তবে কমিশনের সব সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে নেওয়া হয়েছে এমনটা ধরে নেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করে আদালত।

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। তিন সদস্যের এই কমিশনে একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও দুজন নির্বাচন কমিশনার রয়েছেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ‘সমমর্যাদার মধ্যে প্রথম’ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাকে একক ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।

২০২৩ সালের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ, চাকরির শর্ত ও কার্যকালের মেয়াদ) আইনের ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কমিশনের কার্যক্রম যতটা সম্ভব সর্বসম্মতির ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে। তবে কোনো বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য হলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান রয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

এমএমআর

লাখো মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ: ভারতের বিচারপতি

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ

সেনাসদস্যের লাশ নিতে গিয়ে লাশ হলেন পরিবারের আরো ৩ জন

পশ্চিমবঙ্গের সিলেবাসে রদবদল, বাদ যাচ্ছে মুসলিম শব্দ, ইতিহাস ও সংস্কৃতি

পাকিস্তানের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে উদ্বেগে ভারত

পাঞ্জাবে সমকামী ইনফ্লুয়েন্সারকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

কলকাতায় ত্রিশূল হাতে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, উত্তেজনা

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল দিল্লি, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

গো-পাচারের গুজবে শিলিগুড়িতে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে দুই মুসলিম যুবক হত্যা

বোরকা পরায় লেবার রুমে নার্সদের ঢুকতে বাধা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ