হোম > বিশ্ব > ভারত

উত্তরাখণ্ডে ৮৬ মুসলিম পরিবারের বাড়ি উচ্ছেদ, কংগ্রেস এমপির প্রশ্ন—‘শুধু মুসলিমদের বাড়িই কি অবৈধ’

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

ভারতের উত্তরাখণ্ডের নৈনিতাল জেলায় একটি মুসলিম বসতিতে ৮৬টি বাড়ি উচ্ছেদের ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাভেদ। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘পুরো দেশে কি শুধু মুসলিমদের বাড়িই অবৈধ?’

মোহাম্মদ জাভেদ বলেন, সরকারি জমিতে অবৈধ দখল উচ্ছেদের ক্ষেত্রে সবার জন্য একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না কেন? আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। কোনো একটি সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার হাতিয়ার হিসেবে আইন ব্যবহার করা উচিত নয়।

তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, বাড়িগুলো সরকারি বনভূমিতে নির্মাণ করা হয়েছিল। সরকারি জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা সরানোর চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।

প্রশাসন ও বন বিভাগ প্রথমে ওই এলাকায় ৮৩টি বাড়ি উচ্ছেদের পরিকল্পনা করেছিল। শনিবারের অভিযানে নিরাপত্তার জন্য ১ হাজার ২০০-এর বেশি পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মী মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া ২৮টি জেসিবি খননযন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

তরাই ওয়েস্টার্ন ফরেস্ট ডিভিশনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পুনীত কুমার তোমর জানান, অভিযানের দ্বিতীয় ধাপে ৯২ জনকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকায় ৯টি স্থাপনা উচ্ছেদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর একই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছিল বন বিভাগ। তখন ৫১টি বাড়ি ও কুঁড়েঘর ভেঙে ফেলা হয় বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে রামনগর পৌরসভার বর্জ্য ফেলার জায়গার প্রায় দুই একর জমিও দখলমুক্ত করা হয়েছিল।

কোসি নদীর তীরবর্তী রামনগরের পুচ্ছড়ি এলাকায় মুসলিমদের বসতিটি অবস্থিত। সেখানে প্রায় ১৪ হেক্টর বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

উচ্ছেদ অভিযান শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে নৈনিতাল পুলিশ জানায়, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নির্দেশনা অনুযায়ী এ অভিযান চালানো হয়েছে। সরকারি জমি দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ‘জনতাত্ত্বিক পরিবর্তনের’ বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছে পুলিশ।

শনিবার প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন বাসিন্দা নিজেরাই বাড়িঘর ভাঙতে শুরু করেন বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকাটিকে কয়েকটি নিরাপত্তা জোন ও সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।

এর আগে উত্তরাখণ্ডে ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদে বুলডোজার অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি এসব স্থাপনাকে ‘ল্যান্ড জিহাদ’ আখ্যা দিয়ে রাজ্যের পবিত্র ভূমিকে ‘দূষিত’ করার অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

সূত্র: মাকতুব মিডিয়া

রাহুল গান্ধীকে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাতে চান আসামের মুখ্যমন্ত্রী

ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের রেকর্ড পতন, সংকটে কলকাতার চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যবসা

রাহুল গান্ধীর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অমিত শাহের

ভারতে শপিংমলের নামাজঘর ভেঙে দিল হিন্দুত্ববাদীরা

আসামে মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান, ৫৫০ পরিবার গৃহহীন

‘আমরা মাটিতে আছড়ে পড়তে যাচ্ছি’ —পাইলটের শেষ কথা

‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের

ভারতে বিরোধী জোটের সমাবেশে যোগ দেয়নি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)

দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ শুরু, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার

ভারতের বিষাক্ত মার্বেল বর্জ্যের ভাগাড় এখন পর্যটনকেন্দ্র