ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট, মহারাষ্ট্র ও দিল্লিতে মসজিদ ও মুসলমানদের বাড়িঘর ভাঙার প্রতিবাদ জানিয়েছে জামাত-ই-ইসলামি হিন্দ (জেআইএইচ)। তাদের অভিযোগ, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার নামে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।
এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেআইএইচের সহসভাপতি সালিম ইঞ্জিনিয়ার বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থাপনা বেছে বেছে ভেঙে ফেলা খুবই উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে পক্ষপাতমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এক-দুটি হিন্দুধর্মীয় স্থাপনাও ভাঙা হয়েছে, কিন্তু এভাবে কাজ করা উচিত নয়। সরকার উন্নয়ন ও নিরাপত্তার কথা বলে মানুষের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করতে চাইছে। এসব ভাঙার অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আইনগত প্রক্রিয়া ঠিকমতো অনুসরণ করা হচ্ছে না।’
ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে নই। কিন্তু যেভাবে খুব তাড়াহুড়ো করে এটি করা হচ্ছে, তার বিরোধিতা করছি। কোনো বৈধ নাগরিক যেন বাদ না পড়েন। অনেক মানুষ কাজের জন্য অন্য রাজ্যে থাকেন, তাই যাচাইয়ের সময় উপস্থিত থাকতে না-ও পারেন। তাই তাদের নাম যেন কেটে না দেওয়া হয় এবং কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে যেন লক্ষ্যবস্তু বানানো না হয়।’
এর আগে নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জেআইএইচ দাবি করে, রাজস্থানের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শনকারী তাদের প্রতিনিধিদল এমন কিছু ঘটনা পেয়েছে, যেখানে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মসজিদ, দরগা ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
একই সঙ্গে, যোগ্য কোনো ভোটারের নাম যেন ভুল করে বাদ না যায়, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে জেআইএইচ ।
সূত্র: এনডিটিভি
আরএ