হোম > বিশ্ব > ভারত

ভারতের তরুণদের আন্দোলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

নিউইয়র্ক টাইমস

ভারতের গণতন্ত্র গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে ভোটাধিকার এবং সরকারের জবাবদিহি—বিভিন্ন ইস্যুতে গত চার মাস ধরে দফায় দফায় রাজপথে নেমেছেন দেশটির তরুণেরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে তাদের এই আন্দোলন ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

সাংবাদিক সোমিনি সেনগুপ্তের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের অভিযোগের মধ্যে তরুণদের এই প্রতিবাদ ভারতের রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আন্দোলন আপাতত কিছুটা স্তিমিত হলেও, ভয় কাটিয়ে প্রতিবাদে নামার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ভারতের তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে দুর্বল শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মসংস্থানের সংকট, সরকারের জবাবদিহির অভাব এবং প্রচলিত রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা। তবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক আন্দোলনের সঙ্গে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে—ভারতের এই প্রতিবাদগুলো মূলত অহিংস থেকেছে। বিশ্লেষণে ভারতের তরুণদের আন্দোলন থেকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে।

১. গণতন্ত্রের দাবি রাজনৈতিক শক্তি হয়ে উঠতে পারে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অক্টোবরে নয়াদিল্লিতে এক আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ হিসেবে অভিহিত করেন। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতারা বিরোধীদের নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিতে না পারার অভিযোগ তুলেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বিরোধীদের বিরুদ্ধে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির রাজনীতি’র মাধ্যমে সরকার উৎখাতের চেষ্টা করার অভিযোগও এনেছেন।

তবে আন্দোলনকারীরা এসব অভিযোগের জবাবে বলছেন, সরকারের কাছে জবাব চাওয়া, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা কিংবা সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো বিশৃঙ্খলা নয়; বরং এগুলো গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকার।

তরুণদের আন্দোলনকে সংগঠিত করতে ভূমিকা রেখেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামের একটি জেন-জি আন্দোলন। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ৩১ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, সরকারের কাছে জবাব চাওয়া এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করা গণতন্ত্রের মৌলিক প্রকাশ। আন্দোলনের ২৬ বছর বয়সী কর্মী গুল কুমারিয়ার ভাষায়, ‘ভয়টা দূর হতে হবে।’ আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের মধ্যে এই মনোভাব বারবার দেখা গেছে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গণতন্ত্রের ধারণা নিয়ে ক্ষমতাসীন দল ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিরোধটি শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যের লড়াই নয়। বরং গণতন্ত্র বলতে কেবল নির্বাচন বোঝায়, নাকি নির্বাচনের পাশাপাশি প্রতিবাদ, প্রশ্ন তোলা ও জবাবদিহিও এর অপরিহার্য অংশ—সেই মৌলিক বিতর্ক সামনে এসেছে।

২. প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হলে রাজপথই হয়ে ওঠে প্রতিবাদের জায়গা

ভারতের তরুণদের সাম্প্রতিক আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি তুলনামূলক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য আস্থা অর্জন করেছিল। কিন্তু ভোটার তালিকার ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমে ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার ঘটনায় কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সমালোচকদের অভিযোগ, এই সংশোধন ক্ষমতাসীন বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা। তবে ভোটার তালিকা সংশোধনের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে এই অভিযোগ বিতর্কিত; এ বিষয়ে আন্দোলনকারীদের বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।

দেশটির বিচার বিভাগও সমালোচনার মুখে পড়েছে। একসময় ভারতের গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত আদালতগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমনে ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

দিল্লির সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের সাবেক প্রধান এবং বর্তমানে ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং অধ্যাপক ইয়ামিনী আইয়ারের মতে, ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি তরুণদের মধ্যে ক্লান্তি ও হতাশা তৈরি হয়েছে।

তার পর্যবেক্ষণ, প্রচলিত রাজনৈতিক দলের বাইরে থাকা একটি তরুণ আন্দোলন যে মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরেছে, তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থার সংকটকেই সামনে আনে। প্রশ্ন হলো, তরুণেরা যখন আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে রাজপথে জবাবদিহি দাবি করছেন, তখন গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে?

এই আন্দোলন আদালতের ওপরও সংবিধানে স্বীকৃত অধিকার রক্ষার চাপ তৈরি করছে। অর্থাৎ, তরুণদের প্রতিবাদ এখন শুধু সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

৩. পুরোনো রাজনৈতিক শক্তি ও নতুন আন্দোলনের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ

চলতি বছরের গ্রীষ্মে কলেজে ভর্তি পরীক্ষার অকার্যকর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সংগঠনটির কর্মীরা প্রচলিত রাজনৈতিক আন্দোলনের তুলনায় ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছেন। ব্যঙ্গ, রসিকতা ও ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে তারা এমন তরুণদেরও আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন, যারা আগে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।

কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক পরিচালক মিলান বৈষ্ণব এই কৌশলকে ‘প্রতিবাদের ভাইরাল প্রতীক’ তৈরির প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে হাস্যরস ও ব্যঙ্গকে প্রায়ই যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় না।

তবে নতুন এই আন্দোলনের সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতাও ছিল। ককরোচ আন্দোলনের নেতারা অনেক সময় প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেওয়ার আগেই গ্রেপ্তার হন। তখন ভারতের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অভিজ্ঞ কর্মীরা সামনে এগিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে ছিলেন কমিউনিস্ট দলের ছাত্র সংগঠনের নেত্রী নেহা বোরা।

তরুণ আন্দোলনকারীরা আকস্মিক প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেন, পুলিশের বাধা এড়িয়ে চলেন এবং গ্রেপ্তার ঠেকাতে একে অপরকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরেন। কোথাও তাঁরা ব্যারিকেড টপকে পালিয়েছেন, কোথাও পুলিশের বাসের জানালা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

নতুন প্রজন্মের আন্দোলনকারীদের উদ্যম ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা মিলিয়ে এমন একটি রাজনৈতিক পরিসর তৈরি হয়, যা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠিত বিরোধী দলগুলো তৈরি করতে পারেনি।

তরুণদের আন্দোলন দমনে পুলিশি অভিযানের তিন দিন পর কংগ্রেসও দিল্লির কেন্দ্রে হাজারো সমর্থক নিয়ে মিছিল করে। এর আগে কংগ্রেসের এমন রাজপথের সক্রিয়তা দেখা যায়নি বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে তরুণদের প্রতিবাদ থেকে তৈরি হওয়া শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো কতটা কাজে লাগাতে পারবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আন্দোলনের শক্তি ধরে রাখতে শুধু জনপ্রিয়তা নয়, দীর্ঘমেয়াদি সংগঠন, রাজনৈতিক লক্ষ্য এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্বও প্রয়োজন হতে পারে।

৪. জাতীয়তাবাদ শুধু ডানপন্থিদের হাতিয়ার নয়

নরেন্দ্র মোদির সমর্থকদের মধ্যে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রভাব থাকলেও তরুণ আন্দোলনকারীরা জাতীয়তাবাদের ভিন্ন একটি ধারণা সামনে এনেছেন। তাদের কাছে জাতীয়তাবাদ মানে ভারতের উদার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য, সংবিধান ও নাগরিক অধিকারের প্রতি অঙ্গীকার।

আন্দোলনের নেতাদের অনেককে মহাত্মা গান্ধীর ছবি সংবলিত টি-শার্ট পরতে দেখা গেছে। সমাবেশে তারা ভারতের সংবিধানের কপি উঁচিয়ে ধরেছেন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত এলাকায়ও জাতীয় পতাকা—ত্রিবর্ণ পতাকা বা ‘তিরঙ্গা’—উড়িয়েছেন।

১৬ অক্টোবর দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক মিছিলেও আন্দোলনকারীরা ভারতের জাতীয় পতাকা বহন করেন।

ককরোচ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, জাতীয় পতাকা ওড়ানো অপরাধ নয়; বরং সেটি তার গর্ব। তবে পতাকা নিয়ে দিল্লির একটি পার্কে যাওয়ার আগেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশি গাড়িতে তোলার সময়ও তিনি জাতীয় পতাকা উঁচিয়ে ধরেন।

এই দৃশ্য আন্দোলনের প্রতীকী তাৎপর্য তুলে ধরে। আন্দোলনকারীরা নিজেদের ভারতবিরোধী হিসেবে নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক আদর্শ ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার দাবিদার হিসেবে উপস্থাপন করছেন।

ভারতের ইতিহাসে গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কিন্তু সাম্প্রতিক আন্দোলনে তরুণেরা জাতীয়তাবাদকে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে নিয়ে গিয়ে নাগরিক স্বাধীনতা ও প্রতিবাদের অধিকারের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার স্মৃতি

ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিকে দেশটির ইতিহাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন বিশ্লেষক সোমিনি সেনগুপ্ত। তার মতে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭৫ সালের জুনে জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে ভারত তার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য নিয়ে এত বড় হিসাব-নিকাশের মুখে পড়েনি।

বর্তমান আন্দোলনকারীরা পুলিশের শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেপ্তারের মুখেও প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের হাতে জাতীয় পতাকা, সংবিধানের কপি এবং গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের প্রতীক—এসবই দেখায় যে তারা নিজেদের প্রতিবাদকে ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।

তবে আপাতত রাজপথের আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক শক্তি প্রয়োগও এতে ভূমিকা রেখেছে বলে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে তরুণেরা কতটা সংগঠিত থাকতে পারেন, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দাবিকে কতটা ধারণ করে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে কী পদক্ষেপ নেয়, তার ওপর।

সব মিলিয়ে, ভারতের তরুণদের আন্দোলন দেশটির গণতন্ত্র নিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে: গণতন্ত্র কি কেবল নির্বাচনে জয়ী হওয়ার নাম, নাকি ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার রক্ষার সুযোগও এর অবিচ্ছেদ্য অংশ?

ইউরোপে অস্ত্র রপ্তানি বাড়াচ্ছে ভারত

মসজিদ ভেঙে ফেলার শঙ্কায় ভারতের মুসলমানরা

ভারতের অরুণাচলে বিক্ষোভ-সহিংসতা, জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার

স্কুলে বোমা আছে, ছাত্রীর ইমেইলের পর যা ঘটল

বৃত্তি পেতে গরুর গোশত খাওয়ার প্রশ্নে দাঁড়ায় দলিত ছাত্র, বুলিংয়ের পর...

সিইসি জ্ঞানেশকে সরাতে রাজপথে নামছে ইন্ডিয়া জোট, ‘জনতার অভিশংসন’ ঘোষণা

কলকাতা বিমানবন্দরে পরপর দুদিন বোমাতঙ্ক

দিল্লির জামিয়া মিল্লিয়ায় শিক্ষার্থী-নিরাপত্তারক্ষী ব্যাপক সংঘর্ষ, ‘ফ্রি কাশ্মীর’ ও ‘ফ্রি শারজিল ইমাম’ স্লোগান

শত শত মুসলিমকে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করেছে ভারতের পুলিশ