হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

যুদ্ধ চায় না মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর সামনে এক কঠোর বাস্তবতা তুলে ধরেছে। তাদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তার বদলে ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।

সর্বশেষ সংঘাতের সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ওয়াশিংটনের কয়েক দশকের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এসেছে। ইরানকে হামলা থেকে বিরত রাখার বদলে অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত সামরিক উপস্থিতি দেশটির জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু তৈরি করেছে।

গত সপ্তাহান্তে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মানামা সংলাপ নিরাপত্তা সম্মেলনে মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আলোচনায় এ আশঙ্কাই প্রাধান্য পেয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স চারজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউরোপীয় কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানে স্বল্প সময়ের নোটিশে হামলা চালানোর মতো পর্যাপ্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহেই এমন হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এমন আরেক ইউরোপীয় কর্মকর্তা বলেন, ‘যুদ্ধ আসন্ন। কেউই এই যুদ্ধ চায় না।’

সূত্র: আলজাজিরা

হরমুজে ৯ দিনে ১১ তেলবাহী জাহাজে আগুন, দাবি ইরানের

আলোচনা ভেঙে যায়নি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা বিনিময় শেষে দোহা ছাড়ল ইরানি দল

অক্টোবরজুড়ে পশ্চিম তীরে ৩ হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে ইসরাইলিরা

গাজা ও লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে অনুভূতিহীন হয়ে পড়েছে বিশ্ব: ইরান

ইসরাইলের রাজনৈতিক গতিপথ বদলে দেওয়ার ঐতিহাসিক সুযোগ আরব জোটের

সৌদিতে হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, প্রতিহতের দাবি

সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

টানা ১০ দিনের ধ্বংসযজ্ঞ শেষে হেবরন ছাড়ল ইসরাইলি বাহিনী

নতুন যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছেই, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা নেই ইরানের

দক্ষিণ লেবাননে নতুন সড়ক নির্মাণ করছে ইসরাইল