হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়ে যা বলছে চীন

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ যে নতুন নেতা নির্বাচন করেছে, সেই আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা হোসেইনি খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা দেওয়াকে ‘সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে বর্ণনা করেছে চীন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এটি ইরানের সংবিধানের ভিত্তিতে তাদের নিজেদের নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত।”

এর আগে রোববার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে তাদের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বাইরের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন।

ওয়াং ই বলেন, “কোনও ‘কালার রেভল্যুশন’ বা সরকার পরিবর্তনের নীল নকশা কখনওই সাধারণ মানুষের সমর্থন পাবে না।”

এদিকে মুজতাবা হোসেইনি খামেনিকে নিয়ে খুশি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

উপস্থাপক ব্রায়ান কিলমিড জানান, নতুন নেতার নাম ঘোষণার পর তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। তখন ট্রাম্প তাকে বলেন, “আমি খুশি নই।”

কিলমিড এই কথোপকথনের বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত দেননি।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন আলি খামেনি। এরপর থেকে ৩৭ বছর ধরে তিনি ইরানের নেতৃত্ব দেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আলি খামেনি নিহত হন।

এরপর রোববার তেহরান সময় মধ্যরাতের ঠিক পরেই ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের তৃতীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

উপসাগরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ট্যাংকারে বিস্ফোরণ, নাবিক নিহত

ইরানে ফের হামলা হলে ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় আসতে পারে ইউরোপ

সংঘাত বন্ধে সৌদি আরবের কাছে ৫১ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে হুথিরা, দাবি প্রত্যাখ্যান রিয়াদের

কাতারের আমিরের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ

হরমুজে মাইনের আঘাতে ২ ট্যাংকারে আগুন

কঠিন পরিস্থিতির মুখে ইসরাইল, ১০ দিনের ব্যবধানে ৪ নির্বাচনে ধাক্কা খেল নেতানিয়াহু

ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তাকারী দেশ বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে: আইআরজিসি

ইয়েমেনে সৌদি হামলায় শিশুসহ নিহত ৯, আহত ১৪

নাজরান অঞ্চলে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি

ইরানকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা দিতে চেয়েছিল রাশিয়া