হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

আরামকোসহ সৌদির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হুথিদের হামলা, আহত ৭৩

এএফপি

ছবি: রয়টার্স

সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। এসব হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র এ তথ্য জানান।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, সর্বশেষ উত্তেজনা ‘বিপজ্জনক’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কারণ, হুথিরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। সৌদি আরব কার্যত পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের নেতৃত্বে রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে আল-মালিকি বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে নিবৃত্ত করতে জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে এবং তাদের শত্রুতামূলক অবস্থানের দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।’

জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হুথিরা সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার হুথিদের গণমাধ্যম আনসারুল্লাহ জানিয়েছে, ইয়েমেনি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সৌদিতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে আনসারুল্লাহ লিখেছে, ‘শত্রুদেশ’ সৌদির ওপর ইয়েমেনি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

পৃথক আরেকটি পোস্টে হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকা জানানো হয়।

আনসারুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি আরামকোর আবহা ও জিজানের বিভিন্ন স্থাপনা।

এর আগে সোমবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন করে চালানো হামলায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর জাজান তেল স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এতে স্থাপনাটির কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাই করা হচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই হামলার এক দিন আগে, সোমবার, সৌদির জিজান শহরে আরামকোর একটি তেল স্থাপনায় নতুন করে হামলার খবর প্রকাশিত হয়। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই স্থাপনায় গত মাসেও হামলা হয়েছিল। তখন হামলার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সোমবারের সর্বশেষ হামলার দায় সেদিন পর্যন্ত কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি। তবে মঙ্গলবার আনসারুল্লাহ সৌদিতে হামলার কথা জানিয়ে এর দায় নেয়। জিজান সৌদি আরবের ইয়েমেন সীমান্তের সবচেয়ে কাছের শিল্পনগরী। অতীতেও শহরটিতে কয়েকবার হামলা চালিয়েছে হুথিরা।

সৌদি আরবের সঙ্গে হুথিদের নতুন করে সংঘাতের শুরু গত জুলাইয়ে। ওই সময় ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের লোহিত সাগরের বন্দরগুলো অবরোধের ঘোষণা দেয়। এরপর সৌদি আরবের সঙ্গে আবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে গোষ্ঠীটি।

পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে কয়েক দফা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুথিরা। এর মধ্যে জিজানের আরামকো স্থাপনাতেও হামলা হয়।

সৌদি আরব ২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। দেশটি হুথিদের বিরুদ্ধে আরব জোটের নেতৃত্ব দেয়। তবে ২০২২ সালের এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর গত জুলাই পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের লড়াই হয়নি।

এএম

ইসরাইলে নতুন সরকার এলে কতটা পাল্টাবে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য

অবরুদ্ধ হেবরনে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল

সরকার বদলালেও দক্ষিণ লেবাননের দখল ছাড়বে না ইসরাইল

কেবল স্বপ্নেই পারস্য উপসাগরে ফিরতে পারবেন ট্রাম্প: ইরান

আল-আকসার ইমামকে ধরে নিয়ে গেল ইসরাইলি বাহিনী

ফ্রান্স ও ইতালিতে বিক্ষোভে ভাঙচুর করলে দায় নিতে হবে অভিভাবকদের

প্যালেস্টাইন অ্যাকশন নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ

হরমুজে মাইনের আঘাতে ২ সুপারট্যাংকারে আগুন

পশ্চিম তীরে ১৫ শহর-জনপদে ইসরাইলি অভিযান, আটক বহু ফিলিস্তিনি

সমুদ্রতলের ইন্টারনেট ক্যাবলে হামলার পরিকল্পনা ইরানের