অস্ট্রিয়ায় মুসলিম ব্রাদারহুডসহ আরো কিছু ইসলামিক সংগঠনকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ইউরোপ, ইন্টিগ্রেশন ও পরিবারবিষয়ক মন্ত্রী ক্লডিয়া বাউয়ার। একই সঙ্গে তিনি দেশটির আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত বৃহত্তম ইসলামি সংগঠন ইসলামিক রিলিজিয়াস কমিউনিটি ইন অস্ট্রিয়াও (আইজিজিও) এই উদ্যোগের আওতায় পড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
শনিবার অস্ট্রিয়ান প্রেস এজেন্সিকে (এপিএ) দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাউয়ার বলেন, প্রস্তাবিত পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো চরমপন্থা ও ধর্মীয় মৌলবাদের বিস্তার ঠেকানো। মন্ত্রী প্রেস এজেন্সিকে বলেন, এই প্রস্তাবটি উগ্রবাদ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিফলন।
আইজিজিওর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি মনে করি না, এটিকে আমরা একেবারে উড়িয়ে দিতে পারি।” তিনি আরো বলেন, ‘রাজনৈতিক ইসলামের কঠিন দিকটি হলো এটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও গোপনে ছড়িয়ে পড়েছে।’
ভিয়েনার অবস্থান
বাউয়ার ধর্মীয় সম্প্রদায়কে লাশএক্ষেত্রে সীমা কোথায় টানা হবে সে বিষয়ে একটি স্পষ্ট অবস্থান নিতেলাশ আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে, লাশঅতীতে তিনি মৌলবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপের ক্ষেত্রে প্রায় কিছুই দেখেননি।লাশ এরপর তিনি অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টির (ওভিপি) জোটসঙ্গীদের কাছে সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞার একটি প্রাথমিক রূপরেখা জমা দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
বাউয়ার জানান, মুসলিম ব্রাদারহুডসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর ওপর সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে একটি প্রাথমিক প্রস্তাব তিনি অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টির (ওভিপি) জোটসঙ্গীদের কাছে উপস্থাপন করবেন।
এই উদ্যোগটি অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ক্রিশ্চিয়ান স্টকারের মন্তব্যের পর নেওয়া হয়েছে, যিনি ৩১শে আগস্ট সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ওআরএফ-কে বলেছিলেন যে, সরকার ইসলামের নামে মৌলবাদের ওপর আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ চায়। স্টকারের এই মন্তব্য দেশের অভ্যন্তরীণ ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ভিয়েনার আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়।
সূত্র: ইয়েনি শাফাক
এমএমআর