হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

এআই দিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুড ও সুদানকে টার্গেট, আমিরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আমার দেশ অনলাইন

এআই দ্বারা নির্মিত ছবি।

মুসলিম ব্রাদারহুডকে ঘিরে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) পরিচালিত একটি প্রভাব বিস্তার অভিযান শনাক্ত ও ব্যাহত করার দাবি করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক। প্রতিষ্ঠানটির সেপ্টেম্বরের গোয়েন্দা হুমকি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অ্যানথ্রপিকের প্রতিবেদনে এসেছে, একজন ব্যক্তি তাদের এআই সহকারী ক্লড ব্যবহার করে মুসলিম ব্রাদারহুডকে বিশ্বব্যাপী দুর্বল করার লক্ষ্যে আটলান্টিক ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সমন্বিত প্রচারণা চালিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই প্রচারণার আওতায় প্রায় ৩০০টি ভুয়া বা অপ্রামাণিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মুসলিম ব্রাদারহুড, সুদানের যুদ্ধ এবং জাতিসংঘকে ঘিরে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়।

সুদানের যুদ্ধে ইউএই আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে (আরএসএফ) সমর্থন করছে বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। একই সময়ে সুদানে ইউএইর ভূমিকা নিয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছিল জাতিসংঘ।

অ্যানথ্রপিক বলেছে, ওই ব্যক্তি ক্লড ব্যবহার করে সুইজারল্যান্ডের একটি বাস্তব সংগঠনের পরিচয় নকল করে একটি ভুয়া বেসরকারি সংস্থা তৈরি করেন। পরে ওই সংস্থার নামে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রস্তুত করা মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬২তম অধিবেশনে দুই ব্যক্তির মাধ্যমে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে সরকারি সাক্ষ্য ও বক্তব্যও গোপনে লিখে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে অ্যানথ্রপিক।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এসব বক্তব্য এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল, যাতে কোনো বক্তব্যেই ইউএইর নাম উল্লেখ না থাকে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ক্লড ব্যবহার করে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ১৮ জন সদস্য ও কয়েকজন প্রভাবশালী সাংবাদিকের বিষয়ে গবেষণা এবং ব্যক্তিগত প্রোফাইল তৈরি করা হয়। পাশাপাশি সুদানে ইউএইর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকদের বিরুদ্ধে জবাবদিহিমূলক নথি তৈরির কাজও করা হয়।

অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, অভিযানটি এমনভাবে পরিচালিত হয়েছিল যাতে এর উৎস শনাক্ত করা কঠিন হয়। তবে তদন্তের পর প্রতিষ্ঠানটি ‘উচ্চমাত্রার নিশ্চয়তার সঙ্গে’ ওই কার্যক্রমের সঙ্গে ইউএই সরকারের কর্মকর্তাদের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে বলে দাবি করেছে।

অ্যানথ্রপিকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আমিরাতি কর্মকর্তা ওই কার্যক্রমের তৈরি করা নথি ও তথ্য পাওয়ার জন্য নির্ধারিত ব্যক্তি ছিলেন।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

এমএমআর

৬৩ বিদেশির নাম-পরিচয় মিলেছে, তদন্তে সিটিটিসি

আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের টুর্নামেন্ট

ক্লাব ফর্টিসের কাছে হারল জাতীয় ফুটবল দল

সিংহাসন-মুকুট রেখে ফুটবল বেছে নিলেন উগান্ডার কামুরাসি

বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

শুধু নারীর অধিকার নয়, দায়িত্ব সম্পর্কেও জানতে হবে

মাসুদ-বাবরের ব্যাটে লড়ছে পাকিস্তান

জুলাই ও ঢাবির ইতিহাস নিয়ে ডাকসুর ৩ বই

কোচের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানান কাজেম

১৩ হাজার শিক্ষার্থীর ‘রোড টু সিরাহ’ সম্পন্ন