হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

সিরিয়ায় আসাদ আমলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিচার শুরু

আমার দেশ অনলাইন

সিরিয়ায় ২০২৬ সালের ২৬শে এপ্রিল দামেস্কের প্যালেস অফ জাস্টিসে প্রথম বিচারিক অধিবেশনে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও জনগণ উপস্থিত হন। ছবি: সংগৃহীত।

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দেশটিতে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য বিচার শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানার খবরে বলা হয়েছে, রোববার রাজধানী দামেস্কে আদালতে হাজির হন আতেফ নাজিব—সাবেক সিরীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং আসাদের চাচাতো ভাই। তিনি দক্ষিণ সিরিয়ার দারা প্রদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান ছিলেন। তার বিরুদ্ধে “সিরীয় জনগণের বিরুদ্ধে অপরাধ”-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১১ সালে নাজিব ওই পদে ছিলেন, যখন দারার একটি স্কুলের দেয়ালে সরকারবিরোধী গ্রাফিতি আঁকার জন্য কিশোরদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হয়েছিল। এই ঘটনাটি আল-আসাদ সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর দমনমূলক নীতির বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের অনুঘটক হয়ে ওঠে।

সেই বিক্ষোভ দমন করতে সরকার কঠোর অভিযান চালালে তা দীর্ঘ ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সশস্ত্র বিরোধী বাহিনীর নেতৃত্বে এক আকস্মিক অভিযানে আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির মাধ্যমে শেষ হয়। পরবর্তীতে আল-আসাদ রাশিয়ায় পালিয়ে যান, এবং তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের বেশিরভাগ সদস্যও সিরিয়া থেকে পালিয়ে যান।

এই মামলায় আসাদ নিজে, তার ভাই মাহের আল-আসাদসহ আরো কয়েকজন উচ্চপদস্থ সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা অনুপস্থিতিতে অভিযুক্ত হয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে একমাত্র নাজিবকেই গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

রোববারের শুনানি ছিল প্রাথমিক পর্যায়ের, যা আগামী মাসে আবার শুরু হবে।

আদালতের বাইরে এ সময় লোকজন জড়ো হয়ে বিচার শুরুকে স্বাগত জানায়।

সূত্র: আল আরাবিয়্যা।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা, ৪৮ ঘণ্টায় নিহত ৫

যুদ্ধিবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত, নিহত বেড়ে ১৬

নেতানিয়াহুর অলীক কল্পনার মূল্য দিচ্ছে তেল আবিব

লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে পারে ইসরাইল

লেবাননের প্রতি ইঞ্চি জমি থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করা হবে: হিজবুল্লাহ

আমি না থাকলে ইসরাইল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত

সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন আরাগচি ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত উইটকফ

স্টারমারকে সময় বেঁধে দিল মন্ত্রিসভা

‘চুক্তির শর্ত রক্ষা না করলে যুক্তরাষ্ট্রকে মূল্য দিতে হবে’

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা আগের চেয়েও শোচনীয়