ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনা ঘিরে পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল ও জটিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা। পাকিস্তানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় উভয় পক্ষের লক্ষ্য ভিন্ন হলেও একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। খবর আলজাজিরার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনার বড় বাধাগুলোর একটি হলো দুই পক্ষের মধ্যে গভীর আস্থাহীনতা। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সামরিক হুমকির মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরো জটিল করেছে। যেখানে তিনি বলেছেন, যদি আলোচনা সফল না হয়, তবে তিনি তার জাহাজগুলোকে পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত করবেন এবং এর সমাধান সামরিকভাবে করা হবে।
এমন প্রেক্ষাপটে, ইসলামাবাদে দুই পক্ষই আলোচনার খুঁটিনাটি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করছে। ইরানের প্রধান শর্তগুলোর একটি হলো লেবাননে চলমান সংঘাত বন্ধ করা। ইসরাইলের হামলা অব্যাহত থাকায় তেহরান এ বিষয়ে অগ্রগতি চায়। পাশাপাশি, ১৯৭৯ সাল থেকে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা কয়েক বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টিও আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
যদিও কিছু সূত্রে যুক্তরাষ্ট্র এ সম্পদ মুক্ত করতে সম্মত হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো ঘোষণা আসেনি।
এদিকে, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাকে তুলনামূলক নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার বিরোধী হিসেবে পরিচিত।