হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

নিষেধাজ্ঞা কমলে ইরানের অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী হতে পারে আইআরজিসি

টাইমস অব ইসরাইলের বিশ্লেষণ

আমার দেশ অনলাইন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আলোচনা নতুন করে গুরুত্ব পাওয়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আবারও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও আইআরজিসি ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জ্বালানি, নির্মাণ, বন্দর পরিচালনা, নৌপরিবহন, টেলিযোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্ত অবস্থান রয়েছে।

টাইমস অব ইসরাইলের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো সমঝোতার ফলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়তে পারে এবং তেল রপ্তানিও নতুন গতি পেতে পারে। তবে অর্থনীতিতে আসা এই নতুন সুযোগ-সুবিধার বড় অংশ বিদ্যমান দেশীয় ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে আইআরজিসির প্রভাব উল্লেখযোগ্য।

ইরানের প্রচলিত বিনিয়োগ কাঠামোয় বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে। বিশ্লেষকদের মতে, এ কারণে আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো অনেক ক্ষেত্রেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

আইআরজিসির অধীনস্থ প্রকৌশল ও নির্মাণ সংস্থা ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ ইতোমধ্যে জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতের বহু বৃহৎ প্রকল্পে যুক্ত রয়েছে। এছাড়া পরিবহন, টেলিকমিউনিকেশন, পর্যটন এবং অটোমোবাইল শিল্পেও তাদের উপস্থিতি ক্রমেই বিস্তৃত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে তেল রপ্তানি বৃদ্ধি, নতুন উন্নয়ন প্রকল্প এবং বিদেশি বিনিয়োগের সম্প্রসারণের ফলে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাবে। কারণ বড় বিনিয়োগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় শক্তিশালী অংশীদারের প্রয়োজনীয়তা তখন আরও বাড়বে।

তবে এই সম্ভাবনার সঙ্গে কিছু জটিলতাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ আইআরজিসিকে নিষিদ্ধ বা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ফলে ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা হলেও আইআরজিসি-সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়লে বিদেশি কোম্পানিগুলো আইনি ও কূটনৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা শুধু দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কেই পরিবর্তন আনবে না; এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। আর সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের মধ্যে আইআরজিসি অন্যতম হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

এআরবি

মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দুবাই ভিসা, ৪ হাজারে মিলছে থাকার হোটেল

ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘ কর্মকর্তার তুমুল বাকযুদ্ধ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা বাস্তবায়নে গোপন আলোচনা চলছে: সুইজারল্যান্ড

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা, ৪৮ ঘণ্টায় নিহত ৫

যুদ্ধিবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত, নিহত বেড়ে ২২

নেতানিয়াহুর অলীক কল্পনার মূল্য দিচ্ছে তেল আবিব

লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে পারে ইসরাইল

লেবাননের প্রতি ইঞ্চি জমি থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করা হবে: হিজবুল্লাহ

আমি না থাকলে ইসরাইল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত