হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ফিলিস্তিনি শিশু হিন্দ রজব হত্যায় ইসরাইলি তদন্ত প্রত্যাখ্যান পরিবারের

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

ফিলিস্তিনি শিশু হিন্দ রজব হত্যাকাণ্ড নিয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর তদন্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন তার দাদি। এ ঘটনার স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

গাজায় পাঁচ বছর বয়সি ফিলিস্তিনি শিশু হিন্দ রজবকে বহনকারী গাড়িতে সেনারা গুলি চালিয়েছিল বলে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী।

আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিন্দের দাদি বলেন, ইসরাইলি তদন্ত কিংবা দেশটির বিচারব্যবস্থার ওপর পরিবারের কোনো আস্থা নেই।

এর পরিবর্তে হিন্দের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় হিন্দের ছয় স্বজন এবং তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্টের দুই চিকিৎসাকর্মীও নিহত হন।

হিন্দের দাদি বলেন, ‘আমরা শুধু গাজার একটি শিশু হিসেবে হিন্দের জন্য বিচার চাইছি না; আমরা গাজায় নিহত সব শিশু শহীদের পক্ষ থেকে বিচার দাবি করছি।’

২০২৪ সালের জানুয়ারিমাসে গাজা সিটিতে একটি গাড়িতে করে যাওয়ার সময় ইসরাইলি সেনাদের গুলিবর্ষণের মুখে পড়া একটি পরিবারের সাত সদস্যের একজন ছিল এই শিশু।

ইসরাইলের হামলায় বিধ্বস্ত গাজা নগরী থেকে গাড়িতে করে পালাচ্ছিল হিন্দ রজবের পরিবার। তখন গাড়িটি হামলার শিকার হয়। নিহত হন গাড়িতে থাকা তার চাচা, চাচি, তিন চাচাতো ভাইবোন—সবাই। গাড়িতে আটকা পড়ে ওই ফোনকল করেছিল শিশুটি। পরে তাকেও গুলি চালিয়ে হত্যা করে ইসরাইলি বাহিনী।

হিন্দ রজবকে সাহায্য করতে ঘটনাস্থলে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সের দুই কর্মীকেও সেদিন ইসরাইলের সেনারা নৃশংসভাবে হত্যা করেছিলেন। সে সময় ইসরাইল দাবি করেছিল, ঘটনার দিন সেখানে তাদের কোনো সেনা ছিল না।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরএ

‘হতাশা থেকেই ফের ইরানে হামলার হুমকি দিচ্ছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু’

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা অক্টোবরে রেকর্ড ছুঁয়েছে

জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ৭

পরমাণু চুক্তি ছাড়েনি ইরান

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি যাচাইয়ে প্রস্তুত আইএইএ

পশ্চিম তীরে অবরোধ, সমষ্টিগত শাস্তির আতঙ্কে ফিলিস্তিনিরা

রিয়াদে হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, সৌদির তিন অঞ্চলে সতর্কতা জারি

ইরান যুদ্ধ ঘিরে চাপে ট্রাম্পের দল

স্থল অভিযান চালালে ইরান হবে বিদেশি সেনাদের কবরস্থান: আইআরজিসি জেনারেল

ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির মূল হোতা বলল মিসর, সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান