আইএমএমএস
পারস্য উপসাগরে গত প্রায় চার মাস ধরে প্রায় ২২ হাজার নাবিক আটকা পড়ে আছেন এবং তারা ‘গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ইরানি মার্চেন্ট মেরিনার্স সিন্ডিকেটের (আইএমএমএস) প্রধান সামান রেজায়েই।
তিনি বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর হুমকি ও হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে সামুদ্রিক উত্তেজনা অনেক বেড়েছে। এর ফলে নাবিক, জেলে, ডকশ্রমিক, পাইলটসহ বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন।
রেজায়েই বলেন, ‘রাজনৈতিক ফলাফল যা-ই হোক না কেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে সব নাবিকের নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করাই এখন তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার।’
তিনি উল্লেখ করেন, অসংখ্য নাবিকের হতাহত, নিখোঁজ হওয়ার পাশাপাশি ‘যুদ্ধের সময় নাবিক এবং তাদের পরিবারের ওপর যে মানসিক ক্ষতি ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে রেজায়েই একটি পর্যায়ভিত্তিক পুনরুদ্ধারের আভাস দিয়েছেন। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি শুরু হবে। এর পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ইরান মাইন অপসারণের কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে বড় জাহাজগুলো পুনরায় চলাচলের জন্য নিরাপদ বোধ করার আগে নিরাপত্তা যাচাইকরণে আরো ৪০ থেকে ৫০ দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে উচ্চ বীমা খরচ এবং দীর্ঘস্থায়ী অনাস্থার কারণে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে আট মাস পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে।
সূত্র: আলজাজিরা
এএম