যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত গাজার শান্তি শীর্ষ সম্মেলনের আগে পাকিস্তানসহ সাতটি গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম দেশ মঙ্গলবার ইসরাইলের পশ্চিম তীরে কিছু জমিকে ‘রাষ্ট্র জমি’ হিসেবে ঘোষণা এবং বসতি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তকে তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব এবং কাতার-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই পদক্ষেপকে “অবৈধ” এবং “গুরুতর উত্তেজনা সৃষ্টিকারী” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরাইলি দখলকৃত অঞ্চলে এই একপক্ষীয় পদক্ষেপ অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, জমি দখল এবং ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ জোরদারের উদ্দেশ্য বহন করছে, যা ফিলিস্তিনিদের বৈধ অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে। এছাড়া, এটি চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রাসঙ্গিক রেজুলেশন, বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৩৩৪ লঙ্ঘন করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপ পশ্চিম তীরের আইনগত, ঐতিহাসিক ও জনসংখ্যাগত অবস্থাকে পরিবর্তনের চেষ্টা, দখল শেষ করার দায়িত্ব উপেক্ষা এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করছে। একপক্ষীয় পদক্ষেপ দুই রাষ্ট্র সমাধানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা হ্রাস করবে এবং অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি অর্জনের প্রচেষ্টাকে বিপন্ন করবে।
এসআর