হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

৪৬ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠক

আমার দেশ অনলাইন

ছবি : সিএনএন

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে যাচ্ছে চিরবৈরী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আজ বিকেলে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে ইরানের পরমাণু চুক্তির পর এবারই প্রথম দেশ দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি বা মুখোমুখি আলোচনায় বসছে। এর আগে ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ওই পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে যাওয়ার পর সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। একই বছর ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা নিষিদ্ধ করেছিলেন।

শনিবার সকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির তাদের বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। এ সময় তারা মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং দ্বিপক্ষীয় কুশল বিনিময় করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আশা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এই শান্তি আলোচনায় গঠনমূলকভাবে অংশ নেবে। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তান এই সংঘাতের একটি ‘টেকসই ও স্থায়ী সমাধান’ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা ও মধ্যস্থতা করতে ইচ্ছুক।

ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিতে আসা মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রতিনিধিদলে আরো রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

উল্লেখ্য, ছয় সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শুরুতে এক যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর পর এই প্রথম দুই দেশ সরাসরি আলোচনার টেবিলে ফিরল, যা এই সংলাপকে এক বিশেষ গুরুত্ব ও মাত্রা দিয়েছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এই বৈঠক ‘মেক অর ব্রেক’ বা চূড়ান্ত মুহূর্ত হিসেবে কাজ করবে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠককে কূটনৈতিক অঙ্গনে এক অভাবনীয় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে এই বৈঠক কতটুকু সফল হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

সূত্র : আলজাজিরা

চুক্তি নয়, আগে লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করুন

লেবানন চুক্তিকে যেভাবে দেখছে নেতানিয়াহু

আসন্ন নির্বাচন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জীবনের ইতি ঘটাতে পারে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর থেকে ইরানে পণ্য খালাস আবার শুরু

হামলা-পাল্টা হামলায় কি ভেঙে পড়বে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা

লেবানন-ইসরাইল চুক্তিকে স্বাগত জানাল জার্মানি

বাহরাইনে ইরানের ড্রোন হামলার অভিযোগ

হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ দেখাতে চাইছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্লেষক

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে

পাকিস্তানে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রে আটক জাহাজের ২২ ইরানি নাবিক