ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের মধ্যে দেশজুড়ে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থের কাজ করছে বলে তাদেরকে “বিশ্বাসঘাতক” বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর এই ঘোষণা দিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ‘পরাজয়ের মুখে’ পড়ছে। খবর আলজাজিরার।
ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৬টিতে সক্রিয় ১১১টি রাজতন্ত্রপন্থি সেলকে রাতভর অভিযানে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এসব গোষ্ঠী ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে উৎখাত হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শাসনব্যবস্থার পক্ষে কাজ করছিল বলে অভিযোগ করা হয়।
মন্ত্রণালয় আরো দাবি করে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং জনগণকে সন্দেহজনক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তৃতীয় সপ্তাহে গড়ানো দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যেই ২১ জনকে বিদেশভিত্তিক “সন্ত্রাসী” গণমাধ্যমে ভিডিও পাঠানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি, দেশে পাচারের সময় স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের ৩৫০টি টার্মিনাল জব্দ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, তেহরানের কাছের কারাজ শহরে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন “শহীদ সর্বোচ্চ নেতা” আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি পুড়িয়ে ও অবমাননা করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর শুরুতেই খামেনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।