
মাইট্রাল রিগারজিটেশনের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত
অনেক ক্ষেত্রে এটি রোগীর কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে এই রোগের সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা ছিল ওপেন হার্ট সার্জারি। কিন্তু বাস্তবতা হলো সব রোগী এই সার্জারির জন্য উপযুক্ত নন।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ

অনেক ক্ষেত্রে এটি রোগীর কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে এই রোগের সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা ছিল ওপেন হার্ট সার্জারি। কিন্তু বাস্তবতা হলো সব রোগী এই সার্জারির জন্য উপযুক্ত নন।

আজকাল চিকিৎসকদের চেম্বারে একটি কথা খুবই পরিচিত হয়ে উঠেছে—‘ডাক্তার সাহেব, আমার সব রিপোর্ট নরমাল, কিন্তু আমি ভালো নেই।’ এই একটি বাক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ অনেক সময় দেখা যায়, রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে বা অন্যান্য রিপোর্টে বড় কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে না

রাইলস টিউব বসানোর সময় আমরা কি যথেষ্ট সতর্ক? রাইলস টিউব বসানোর আগে যে ভুলগুলো জীবন নিতে পারে। ব্যথা উপেক্ষা করলে ফল হতে পারে প্রাণঘাতী। এক্স-রে ছাড়া রাইলস টিউব : আমরা কতটা ঝুঁকি নিচ্ছি? একটি ভুল সিদ্ধান্ত, থেমে যেতে পারে একটি হৃৎপিণ্ড।

হৃদরোগ মানেই কি শুধু হার্ট অ্যাটাক বা রক্তনালিতে বড় ব্লক? আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের উত্তর এখন স্পষ্ট—না। হার্ট ফেইলিউর উইথ প্রিজার্ভড ইজেকশন ফ্র্যাকশন বা HFpEF এমনই এক হৃদরোগ, যেখানে হৃদযন্ত্রের পাম্প করার ক্ষমতা মোটামুটি ঠিক থাকলেও রোগী ধীরে ধীরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

ডাক্তার তো নিজেই সুস্থ ছিলেন—এ ধারণাটিই যেন ভেঙে চুরমার করে দিল ভারতের নাগপুরের সাম্প্রতিক এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। শারীরিকভাবে ফিট, নিয়মিত ব্যায়ামকারী, স্বাস্থ্য পরীক্ষার সব রিপোর্ট স্বাভাবিক। তবু আকস্মিক হৃদরোগে প্রাণ হারালেন এক বিশিষ্ট নিউরোসার্জন । প্রয়াত চিকিৎসক ড. চন্দ্রশেখর পাখমোডে (৫৩) নাগপুরের

সাম্প্রতিক সময়ে ওজন কমানোর ইনজেকশন—বিশেষ করে Semaglutide ও Tirzepatide—বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চিকিৎসা আলোচনায়, সর্বত্রই এগুলো দেখা হচ্ছে দ্রুত ওজন কমানোর কার্যকর সমাধান হিসেবে। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম BBC News-এর এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ

আজকাল আমাদের আশপাশে এমন কেউ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যার রক্তচাপ একবারও মাপা হয়নি। কিন্তু অনেকেই যখন জানতে পারেন—‘আমার হাই-প্রেশার’, তখনই শুরু হয় ভয়, দুশ্চিন্তা আর ভুল ধারণার ভিড়। কেউ বলেন, ‘ওষুধ খেলে আসক্তি হবে’। কেউ বলেন, ‘হারবালেই ভালো’—ফলে বিপদটা আরো বেড়ে যায়।

ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা আমাদের দেশে একেবারেই সাধারণ রোগ মনে হলেও, এর প্রভাব কিন্তু কখনোই হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। ঋতু পরিবর্তনের সময় হঠাৎ জ্বর, কাশি আর দুর্বলতায় কাবু হয়ে পড়া—এসবই ফ্লুর সাধারণ উপসর্গ। তবে ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের জন্য এটি মারাত্মক জটিলতাও ডেকে আনতে পারে।