Muhammad Asadullah

সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অনলাইনে প্রচার জমে উঠেছে। বড় দলগুলোর পাশাপাশি প্রার্থীরাও ব্যক্তিগত উদ্যোগে গান বানাচ্ছেন। সেসব গানে উঠে আসছে গণভোট কিংবা নিজ নিজ দলের প্রতীকের কথা, উঠে আসছে নানা সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি। সংগীতবোদ্ধারা বলছেন, নির্বাচনে গানের ব্যবহার দলগুলোর খুবই বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত। এবার

ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী যুদ্ধের চিরস্মরণীয় এক নাম শহীদ ওসমান বিন হাদি। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, লেখক, বিতার্কিক, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ। যাকে তুলনা করা হচ্ছিল মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সঙ্গে। ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

বাবা গ্রামোফোন আনেন ঘরে। অবাক হয়ে সেই যন্ত্র দেখেন বালক আব্দুল আলীম। মুগ্ধ হয়ে গান শোনেন। এক-দুটি গান মুখস্থও হয়ে যায়। কারো সামনে গাইতে লজ্জা পান। চলে যান খোলা মাঠে। গলা ছেড়ে গান ধরেন। কলের গানে শেখা গান ফুটে ওঠে বালকের গলায়।

সুনেরাহ বিনতে কামাল। ‘ন ডরাই’ তার প্রথম সিনেমা। প্রথম সিনেমাতেই অর্জন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সম্প্রতি শুটিংয়ে আহত হয়েছেন এই অভিনেত্রী। পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়েই করছেন শুটিং।

পারশা মাহজাবীন পূর্ণী। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তার গাওয়া ‘চলো ভুলে যাই’ জুলাই যোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি গান লেখেন, গান এবং অভিনয় করেন। ঘুমপরী নামের একটি ওয়েবফিল্মে তার অভিনয় নজর কেড়েছে।

জুলাই-আগস্টজুড়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান ফলে সরকারপ্রধান পালিয়ে গেলে সব হিসাব বদলে যায়। নতুন সরকার দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়ার লক্ষ্যে নতুন করে জুরি বোর্ড গঠিত হয়। নতুন জুরি বোর্ড ২০২৩ সালের সেরা চলচ্চিত্র ও কলাকুশলীদের বাছবিচার শুরু করে।

সিরিজে সার্সি ল্যানিস্টার নির্দয়-নৃশংস হলেও ২০০৭ সাল থেকে গাজায় আক্রমণের বিরোধিতা করে আসছেন এই অভিনেত্রী। লিনা হিডি নামের এই বিখ্যাত শিল্পী বহুবার ইসরাইলকে ‘গণহত্যাকারী’ হিসেবে অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়েছেন। তার বিবৃতিতে উঠে এসেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি দখলদার বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের চিত্র।

এ বছর নতুনত্ব নিয়ে আসছে পহেলা বৈশাখ। ঐতিহ্য আর নতুনত্বের মিশেলে থাকবে আনন্দ আর মানবতার গান। ২০০ রকশিল্পী গিটার আর ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে গাইবেন ‘ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি, প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি’ শীর্ষক গান।

রাফাহ ধ্বংসস্তূপ। গাজাও ধ্বংসের পথে। প্রতিটি মানুষকে মেরে ফেলার পণ নিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে দখলদার ইসরাইল। আল আকসার ভূমিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার এই মিশন দেখে ফুঁসে উঠেছে সারা বিশ্ব। থেমে নেই বাংলার চিত্রজগতের তারকারাও। ফেসবুকে রেসট্রিকশন, ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসা না পাওয়ার সম্ভাবনা ও ভারতের বিরাগভাজন

ভয় আর অস্বস্তি নিয়ে বসে আছে মেহেদী। যদিও ওর সামনে বসে থাকা মানুষটার মুখের দিকে তাকালে ভয়ের চেয়ে সাহস বেশি পাওয়া যায়। কিছু মানুষের চেহারা এমন হয়। তাকিয়ে থাকলে চোখে আরাম লাগে। মেহেদী বসে আছে বড় হুজুরের সামনে।

নাদিম কাওয়াল বলেন, ৬০০ বছর আগের কথা। আমাদের পূর্বপুরুষরা ইরাকের নাজাফ থেকে ভারতবর্ষ আসেন। তারা ভারতের আজমীর শরীফে আবস্থান নেন। খাজা গরীবে নেওয়াজের মাহফিলে উর্দু ভাষায় কাওয়ালি পরিবেশন করতেন।