চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের জাঙ্গালিয়ার সেই দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় অবশেষে বসানো হয়েছে চারটি গতিরোধক। এছাড়া সড়কের পাশে নিচু হয়ে যাওয়া এলাকাগুলোতে মাটি দিয়ে উচু করা হয়েছে। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত তিনটি আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যুর পর সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনার পর এই গতিরোধকগুলো স্থাপন করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
বুধবার সকালে জাঙ্গালিয়ার বিপদজনক মোড়ে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুটি পরিবারের ১০ জন নিহত হয়। এর আগে সোমবার ঈদের দিন একই এলাকায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু হয়। এরপর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। মুক্তিযুদ্ধ, ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক, বিআরটিএ, সড়ক ও জনপথসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুর্ঘটনা প্রবন এলাকায় গতি রোধক স্থাপনের কাজ শুরু হয়। রাতেই গতিরোধকগুলো কার্যকর করা হয়।
আশপাশের অন্তত দুই কিলোমিটার এলাকায় রাস্তার পাশে নিচু হয়ে যাওয়া এলাকাগুলোতে মাটি দিয়ে রাস্তার সমান করা হয়েছে। এতে দুর্ঘটনার প্রবণতা কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এই সড়কে নিয়মিত চলাচল করা পরিবহণ চালকদের দাবি গতি রোধক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য স্থায়ী কোন সমাধান নয়। ঝুকিপুর্ণ বাকগুলো সোজা ও খোলা ট্রাকে লবন পরিবহণ নিয়ন্ত্রন না করতে পারলে দুর্ঘটনা কমবে না। বন জঙ্গল পরিবেষ্টিত নির্জন এলাকায় পরপর চারটি গতি রোধকের কারণে নতুন করে ডাকাতির আশঙ্কাও তৈরী হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এই সড়কের পরিবহণ চালকেরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

