নোয়াখালী সদর উপজেলায় অপহরণের ১০ দিন পর অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে (১৫) উদ্ধার করেছে র্যাব-১১। এসময় এক অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার আসামিকে বিচারিক আদালতে হাজির করা হবে। সোমবার বিকেলে উপজেলার মতিপুর গ্রাম থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আবুল হোসেন হৃদয় (২৪) সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের মতিপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
র্যাব-১ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষার্থী (১৫) স্থানীয় বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। আসামি আবুল হোসেন হৃদয় স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। কিশোর গ্যাং এর সদস্য হৃদয় ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া আসার পথে প্রায় প্রায় পথরোধ করে প্রেম নিবেদন করত। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশলে তাকে৷ (ছাত্রীকে) উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তার মাসহ কোচিংয়ে যাওয়ার পথে আগে থেকে ওঁতপেতে থাকা কিশোর গ্যাং সদস্য হৃদয় ও অপর আসামিরা ভুক্তভোগীর মাকে ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। এ সময় তারা ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে কালো রঙের হাইস মাইক্রোবাস যোগে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে ভিকটিমের বাবা আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের আদেশে ১৬ ফেব্রুয়ারি সুধারাম মডেল থানায় মামলাটি দায়ের হয়। র্যাব-১১ সিপিসি-৩ গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মতিপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে আসামি ও অপহরণের শিকার শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু সাংবাদিকদের বলেন, মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় অপহৃতকে উদ্ধার এবং অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর তাদের সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপহরণের শিকার ভুক্তভোগী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেবেন এবং আসামিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

