দেশের লবণ উৎপাদনের অন্যতম জেলা কক্সবাজার। জেলায় শীর্ষে রয়েছে টেকনাফ। এখানকার লবণমাঠে পুরোদমে কাজ শুরু করেছেন চাষিরা। পরিচর্যা শেষে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে উৎপাদন।
টেকনাফে দুভাবে লবণ উৎপাদন হয়। এর মধ্যে সনাতন পদ্ধতিতে কালো লবণ ও পলিথিন পদ্ধতিতে সাদা লবণ। তবে পলিথিনযুক্ত লবণ উৎপাদনে ঝুঁকছেন বেশিরভাগ চাষি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ব্যাপক উৎপাদনে আশা করছেন তারা। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে হতাশায় ভুগছেন কেউ কেউ।
লবণ ব্যবসায়িক সমিতির সভাপতি হোছাইন মুহাম্মদ আনিম বলেন, উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ রয়েছে। সিন্ডিকেটের কারণে চাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। এতে অভাব-অনটনে দিন কাটছে চাষি পরিবারের।
ক্ষুদ্র লবণ ব্যবসায়ী নুরুল হুদা বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি নিজেও লবণের চাষ করি। কিন্তু দাম পানির মতো বললেই চলে। লবণ বিক্রি করে পরিবার চালানো দূরের কথা, চাষিরা খরচও তুলতে পারছেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, লবণচাষিরা এখন মাঠে পুরোদমে কাজ করছেন। তাদের ন্যায্যমূল্য পেতে সহযোগিতা করবে প্রশাসন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

