বাবা চিন্তা করো না। ভালো আছি, সুস্থ আছি। রাতে বাবা ও ছেলের এটাই ছিল শেষ কথা। সেই রাত পোহাতেই এলো মৃত্যুর খবর। কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসব কথা বলছিলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুচকুরনী গ্রামের ব্যবসায়ী আবদুল্লাহর পিতা আজিজুল মোল্লা।
স্বজনেরা জানান, পুখুরিয়া বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ রোববার রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে মহেশ্বরদীর বাগমারা মাঠের মোড়ে বিপরীত থেকে আসা একটি অটোরিকশার সাথে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে নেন। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সোমবার (৭ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে সেখানে আবদুল্লাহর মৃত্যু হয়।
পুখুরিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জাহের মিয়া জানান, কাঁচামাল ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার খবরে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত আব্দুল্লাহর বন্ধু রাসেল মোল্লা বলেন, সন্ধ্যায় তার সঙ্গে কথা হয়েছিল। রাতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার খবর পেয়েছিলাম। সকালে বন্ধুর মৃত্যুর খবর জেনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

