যশোর-১ (শার্শা)

বিএনপি প্রার্থী তৃপ্তির মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি ৮৯ নেতার

বিএনপি প্রার্থী তৃপ্তির মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি ৮৯ নেতার

যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থী কেন্দ্রীয় সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির মনোনয়ন পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ৮৯ নেতা।

সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে দেওয়া এ আবেদনে তারা ত্যাগী ও দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন । এতে সই করেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টুসহ দলের অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

বিজ্ঞাপন

আবেদনে বলা হয়, বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী মফিকুল হাসান তৃপ্তি ২০০৭-০৮ সালের জরুরি অবস্থা তথা ১/১১-এর সময় তথাকথিত সংস্কারপন্থি হিসেবে দলবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। সে সময়ে শার্শা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা তার নির্দেশে হয়রানি, গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলার শিকার হন, যা তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ক্ষুব্ধ করেছে।

আবেদনকারীরা অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তৃপ্তি সক্রিয় রাজনীতির বাইরে ছিলেন। ২০১৭ সালে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলেও তিনি এলাকার সংগঠন, আন্দোলন বা নেতাকর্মীদের সহায়তায় দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা রাখেননি।

এতে আরো বলা হয়, তৃপ্তি ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হলেও তাকে নির্বাচনী এলাকায় তেমন দেখা যায়নি। নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার মুখে পড়া নেতাকর্মীদের পাশেও দাঁড়াননি।

গত ২০ সেপ্টেম্বর আমার দেশ-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়, কথিত ভুয়া গোয়েন্দা পরিচয়ধারী এনায়েত করিম তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তৃপ্তির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কথা বলেছিলেন এবং বিএনপিকে বিভক্ত করার পরিকল্পনায় তৃপ্তির নাম উল্লেখ করেছিলেন।

শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টু বলেন, এক-এগারোর সময়ে তৃপ্তি সংস্কারপন্থিদের সঙ্গে ছিলেন। গত ১৬ বছরে তিনি নেতাকর্মীদের বিপদে পাশে ছিলেন না। ঘোষিত প্রার্থীর সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের যোগাযোগ নেই এবং তার জনপ্রিয়তা অত্যন্ত সীমিত। এমন একজনকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচনের সময়ে কর্মীদের মাঠে নামানো কঠিন হবে।

এতে আরো বলা হয়, আমাদের নির্দিষ্ট কোনো পছন্দের প্রার্থী নেই। যিনি তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং দুঃসময় দলের পাশে ছিলেন, সেই ধরনের নেতাকেই এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হোক।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন