রংপুরের পীরগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ওসি এমএ ফারুখ ও পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ মোকলেসুর রহমান। এর আগে, রোববার এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, মাস কয়েক আগে যাত্রাদলের নাট্যকর্মী দেলোয়ারাকে স্ত্রী পরিচয়ে বাড়িতে আনেন আতিকুর। তার সঙ্গে ছিল পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সায়মা। মায়ের সঙ্গে আতিকুরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে শিশুটি। পরে সায়মাকে হত্যা করে বাড়ির পাশে পুঁতে রাখেন আতিকুর।
এ নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে ৭ ফেব্রুয়ারি দেলোয়ারাকে গলা কেটে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেয়া হয়। পরে মাথাবিহীন লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন এলাকার লোকজন। এ ঘটনায় আতিকুরকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে ৯ ফেব্রুয়ারি শিশুটির লাশ ও মায়ের বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ঘাতকের বাড়ি পুড়িয়ে দেন বিক্ষুব্ধরা।
পীরগঞ্জ থানার ওসি এমএ ফারুক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোমহর্ষক বর্ণনা দেন আতিকুর। অবৈধ সম্পর্কের জেরেই মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

