বিএসএফ পুশইনের পর বিজিবির হাতে আটক ১৩

বিএসএফ পুশইনের পর বিজিবির হাতে আটক ১৩

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১৩ জনকে পুশইন করলে কর্তব্যরত বর্ডার গার্ডের টহল (বিজিবি) টহল দল তাদের আটক করে।

মঙ্গলবার ভোররাত ৪:৩০টার দিকে ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ এনায়েতপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ৩২২/৬-এস বরাবর হতে তাদের পুশইন করে।

বিজ্ঞাপন

আটক সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। ১৩ জনের মধ্যে নয় শিশু দু’মহিলা ও দু’পুরুষ রয়েছেন বলে বিজিবি সূত্রে নিশ্চিত করেছে।

আটকরা হলেন মো. খাইরুল ইসলাম (৪৪), বাবা আ. আজিজ, গ্রাম- সতীপুরী, মোছা: হাসিনা বেগম (৪০), বাবা-মজিবর, সতীপুরী, মোছা খোতেজা (১২), মো. হাসান(১০), মো. হাবিব (৮), মো. মাসুদ (০৪), মো: আব্দুল্লাহ (৩), মো: হাবিল, মো: হাকিম (৪ মাস), সকলের বাবা মো. খাইরুল ইসলাম, গ্রাম- সতীপুরী, মো. শাহানুর ইসলাম (২৪), বাবা মো. কাশেম আলী, গ্রাম- মরাগাগলা, ১২. মো: শাকিল ইসলাম(০৭), পিতা- শাহানুর ইসলাম, গ্রাম- মরাগাগলা, পোস্ট - গাগলা, মো: রোহান ইসলাম, বাবা শাহানুর ইসলাম, গ্রাম- মরাগাগলা, সবার থানা- নাগেশ্বরী, জেলা- কুড়িগ্রাম। মোছা. কোহিনুর (১৭), বাবা কছর উদ্দীন, গ্রাম: আন্ধারীঝাড়, ভুরুঙ্গামারী, জেলা- কুড়িগ্রাম।

আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কাজের সন্ধানে ইতিপূর্বে ১০-১৫ বছর পূর্বে দালালের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ হতে ভারতের হরিয়ানা এবং দিল্লী গমন করেছিলেন। আনুমানিক ৮-১০ দিন পূর্বে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ৯ জুন ২০২৫ তারিখে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসে। আটকদের বাংলাদেশি স্থানীয় আত্মীয় স্বজনদের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ যাচাই-বাছাই পূর্বক দিনাজপুর জেলার বিরল থানায় হস্তান্তর করা হয়। বর্ণিত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিজিবির পক্ষ হতে ১০ জুন ২০২৫ তারিখে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিজিবি আরো জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় সীমান্ত সংক্রান্ত অপরাধসমূহ হ্রাস করতে বিজিবি নিরবিচ্ছিন্নভাবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। সীমান্তে মানব পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তথ্য প্রদান করার জন্য বিজিবি সকলকে অনুরোধ করেছে।

এমএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন