সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহীদ ও গুরুতর আহত ২২ পরিবারের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) সিলেটের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার সিলেট নগরীর উপশহরস্থ এসএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে শহীদ দুজনের পরিবার ও আহত আরও ২০ পরিবারকে পুনাক সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস উপহার তুলে দেন।
এর আগে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুনাকের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এসএসপি কমিশনার রেজাউল করিম বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারের প্রিয়জন হারানোর বেদনা পুনাকের নেতৃবৃন্দও অনুভব করেন। আপনাদের এ ক্ষতি কখনও পূরণ করতে পারবো না। আপনাদের সন্তানরা সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের জন্য জীবন বাজি রেখেছে। তাদের ত্যাগের বিনিময়ে এ অর্জন আমরা কখনও ভুলব না। সুহৃদ হয়ে আপনাদের পাশে সব সময় থাকবো। আপনাদের সন্তানদের শহীদ হওয়ার দায় আমাদের দিকেও আসে। আমরা এ ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীতে চলবো।
পুনাকের সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জুলাই শহীদদের স্মরণ করে বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছে এবং আহত হয়েছে তাদের অবদান বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ চিরদিন মনে রাখবে। আমি আপনাদের জন্য সমব্যথী। আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের স্বামীরা ঈদে বাড়িতে যাননি, আমরাও বাড়িতে যাইনি। ছোট ছোট উপহার দিয়ে আমরা আপনাদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আমাদের এ উদ্যোগ।
এ সময় পুনাকের সহ-সভানেত্রী শারমিন আক্তার, সাধারণ সম্পাদিকা সালমা আক্তার, সদস্য সায়মা আক্তার, শাহানাজ সুলতানা, কারিমা আক্তার, খাদিজা রাইয়্যান, পূজা মল্লিক, এডিসি ট্রাফিক রাখী রানী দাসসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
যেসব শহীদদের পরিবারের হাতে উপহার তুলে দেয়া হয়েছে তারা হলেন- শহীদ ওয়াসীম, শহীদ মোস্তাকের পরিবার। এছাড়া গুরুতর আহত লতিফা আক্তার, রুহান, ওসমানী গণী, রাশেদ আহমেদ, শাহীনুর রহমান, হাফেজ মামুন, মিজান আহমেদ, বাদশাহ, নাসিমুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাহির, জাকওয়ান আহমেদ, শাহজাহান মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান, নিয়াজ, মো: খোরশেদ মিয়া, মারুফ আহমেদ, রেদোয়ানুল ইসলাম, মাহমুদ হাসান, আবুল সালেহ, রায়হান আহমেদ ও সেলিম আহমদ ও তার পরিবারের প্রতিনিধির হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নগর টাকা তুলে দেয়া হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

