সুনামগঞ্জ বিএনপি ‘লিমিটেড কোম্পানি’, একাংশের দাবি

সুনামগঞ্জ বিএনপি ‘লিমিটেড কোম্পানি’, একাংশের দাবি

বিভিন্ন কমিটিতে আওয়ামী লীগের কর্মীর নাম, মহল্লার লোকজনকে একাধিক পদ দেয়ায় সুনামগঞ্জ বিএনপির কমিটিকে ‘লিমিটেড কোম্পানি’ আখ্যায়িত করেছে একাংশের নেতৃবৃন্দ। শনিবার দুপুরে শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগারে সম্মেলনে এসব অভিযোগ উপস্থাপন করেন তারা।

বিজ্ঞাপন

বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা জানান, বিগত আন্দোলনে ৪০০ গজের মধ্যে আন্দোলন করা কমিটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যর্থ। গত ৪ নভেম্বর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বোকা বানিয়ে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ৩২ সদস্যের জেলা কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীরা স্থান পায়নি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীরা স্থান পেয়েছেন। পৌর বিএনপির কমিটির ২১ সদস্যের ৬ জনই জেলা বিএনপির সদস্য। এবং ১১ জনই ৪০০ গজের মধ্যে বসবাসকারী। ৮ জন সদস্য ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। কমিটির ১০ নং সদস্য পরীক্ষিত দলছুট নেতা। বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ছিলেন।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পৌর পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গাউছ ও জেলা কমিটির আহবায়ক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের দিয়ে কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তারা সেই আশ্বাস রাখতে পারেননি। নিজেদের মধ্যে থেকে ইচ্ছেমত কমিটি গঠন করেছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ত্যাগী নেতারা বাদ পড়েছেন। অপরিপক্ক ও অপরিচিত মুখকে দলের নেতা বানিয়েছেন। পদ পেতে আবেদনের সাথে নেতাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন ইউনিটে আওয়ামী সুবিধাভোগীরা স্থান পেয়েছে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আ.স.ম খালিদ, সাবেক জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল গফফার, বিএনপি নেতা আব্দুল করিম, পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল মজিদ, গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মইনুল হক, হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলাম। এছাড়া তৃণমূলের আরো অনেক বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন